স্টাফ রিপোর্টারঃ কলমাকান্দা উপজেলার কয়ড়া মৌজায় জেএল নং-৭৪,খতিয়ান নং-১,দাগ নং-২১৯৮, শ্রেনী-কান্দা, জমির পরিমান- ২.৩৬ একর, খতিয়ান নং- ১, দাগ নং- ২৬৭৮, শ্রেনী-কান্দা, জমির পরিমান ২.২৬ একর মোট ৪.৬২ একর জমি দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ দখলে রয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও সরকারি খাস ভূমিতে চাষাবাদ করতে পারছে না স্থানীয় ভূমিহীনগণ। উল্লেখিত স্থানে আশ্রয়ন প্রকল্প করার পরিকল্পনা করেছিল কলমাকান্দা উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু কুচক্রীমহল প্রভাব কাটিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্প করার মত উপযুক্ত স্থানে আশ্রয়ন প্রকল্প করতে দেয়নি। এতে আশেপাশের বাস্তুভিটাহীন সাধারণ মানুষগণ এখনো পরের আশ্রয়ে থাকে। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক বরাবর খাস ভূমির সীমানা নির্ধারণ করার জন্য ভূমিহীনগণ আবেদন করিলে একদিন সার্ভেয়ার এলাকায় গিয়ে কোন সীমানা নির্ধারণ না করে ভূমিটি সরকারের দখলে রয়েছে বলে জেলা প্রশাসক নেত্রকোণা বরাবরে একটি মিথ্যা প্রতিবেদন প্রেরণ করে। সরকারি খাস জমিতে নিজ খরচে ঘর বেঁেধ থাকা ও চাষাবাদের জন্য সম্মিলিত ভাবে আবেদন করে মোঃ এরশাদ মিয়া, মোঃ আলীম উদ্দীন, মোঃ এয়াকুব আলী, মোঃ রহিছ মিয়া, মোছা: নিলুফা আক্তার, মোছাঃ শরিফা খাতুন, মোছাঃ সাজেদা খাতুন, মোঃ ইসমাঈল, মোঃ দীন ইসলাম, মোঃ ইউসুফ আলী, মোছাঃ লতিফা খাতুন, মোঃ কাশেম, মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ আব্দুল খালেক সহ আরো অনেকেই। প্রকৃত বাস্তুভিটা ও ভূমিহীনগণ আবেদন করিলেও বারবার অবৈধ প্রভাবের ফলে কলমাকান্দা উপজেলা প্রশাসন প্রকৃত প্রভাবশালীদের বাঁধায় ভূমিহীনদের ভূমিটি দিতে পারেনি। দখলকারী ব্যক্তিগণ ক্ষিপ্ত হয়ে আবেদনকারী হত দরিদ্র অসহায় মানুষদেরকে মারধোর ও প্রাণে মারার হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। উল্লেখিত সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে দখলে রয়েছে ইদ্রিছ আলী (৬০), পিতা – মৃত এনায়েত উল্লাহ, জসিম (২৮), পিতা-ইদ্রিছ আলী, উভয় সাং-পাতি মঞ্জিল,মফিজ উল্লাহ (৫০), পিতা- মৃত বধু মিয়া, সাকিন আমতৈল, সিদ্দিক মিয়া (৪০), হাফিজুল (২৫), এরশাদ মিয়া, উভয় পিতা- মৃত লাল মিয়া, সর্বসাং- তেলিগাঁও, কাশেম, পিতা-মৃত আব্দুল নবী,সাং-পাতি মঞ্জিল, নূর মোহাম্মদ, পিতা-মৃত আলী হোসেন,সাং- বাদে আমতৈল, সর্বথানা-কলমাকান্দা, জেলা-নেত্রকোণা গং দীর্ঘদিন যাবত সরকারি এই জমিটি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। আবেদিত ভোক্তভোগীগণ প্রশাসনের নিকট সরকারি খাস জমিটি জরিপ করে তাদেরকে জমিটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জোড়দাবি করেছেন। ভূমিহীনগণ জমিটি ফেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে যেমন আশ্রয়ে থাকতে পারবে, তেমনি চাষাবাদ ও হাসঁ-মোরগ, গরু-ছাগল লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। এই এলাকার সুধীজন হতদরিদ্র মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকৃত সরকারি খাস জমিটি বৈষম্যহীনভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ভূমিহীনদেরকে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট জোড় দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply