1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

এ্যাফিডেভিটমূলে খাস জমির পজেশান কিনে প্রতারণার শিকার হাবিকুল ৫ কন্যা নিয়ে অসহায় জীবনযাপন

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৫ দেখা হয়েছে
Hobiqul Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ নেত্রকোণা মহকুমার কালেক্টর ভবনে সংযুক্ত মগড়া নদীতে পাঁকা ঘাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়িক পণ্য ও কর্মরত অফিসারগণ তৎকালীন সময়ে নৌযোগে চলাফেরা করতেন। কালেক্টর ভবনের বিপরীতে গড়ে উঠে নেত্রকোণা বড় মসজিদ। পাঁকা ঘাটের দুইদ্বারে সরকারী জায়গায় বিভিন্ন পণ্য রেখে মহকুমার বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজারে নেওয়া হত। মরহুম আব্দুর রহমান পাঁকা ঘাটের দক্ষিণ পাশের্^ জমি ক্রয় করে বসতি স্থাপন করেন। কালের বিবর্তনে নৌপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাঁকা ঘাটটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। যাহা এখনো দৃশ্যমান। মরহুম আব্দুর রহমান পাঁকা ঘাটের দক্ষিণে পরিত্যক্ত সরকারী জায়গা দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে। এই এলাকার একজন প্রবীণ ব্যক্তি জানায়, মরহুম আব্দুর রহমানের বাসার পূর্বে ঘোড়ার গাড়ী যাতায়াতের রাস্তা ছিল। তিনি তা দখল করে ভবন নির্মাণ করিয়াছেন। মরহুম আব্দুর রহমানের ৪ পুত্র মৃত জাহাঙ্গীর, মৃত আলম, শাহজাহান (৬০), মৃত হুমায়ূম কবীর সেলিম ও ৩ কন্যা ঝরনা (৫০), হেলেন (৪৮), শিরিন (৪৫)। মরহুম আব্দুর রহমানের ৩ কন্যা বাংলাদেশে থাকে না। বৈবাহিক সূত্রে তারা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। মৃত হুমায়ূন কবীর সেলিম এর ১ম স্ত্রীর পুত্র মোঃ এহসান কবীর রিদম বিগত ১লা এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখে ৫৬০২ নং এ্যাফিডেভিট মূলে মোঃ হাবিকুল এর নিকট পৌনে ১ শতাংশ ভূমির দখল হস্তান্তর করেন। হাবিকুল তার স্ত্রী ও ৫ কন্যা সন্তান নিয়ে উল্লেখিত পৌনে ১ শতাংশ ভূমিতে বসবাস করে। হাবিকুল একজন হতদরিদ্র মানুষ। তার স্ত্রী পারভীন আক্তার কালেক্টর ভবনের সামনে পুরাতন কাপড়ের দোকান দিয়ে কোনরকম ভাবে ৫ কন্যা সন্তান নিয়ে দিনাতিপাত করতে থাকাবস্থায় গত ২৭শে জুন ২০২৫ তারিখে মৃত হুমায়ূন কবীর সেলিম এর ২য় স্ত্রী মাহমুদা বেগম (রুবি) ভূমি প্রতিরোধ আইনে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। উল্লেখ্য, মরহুম আব্দুর রহমান ও মরহুম হুমায়ূন কবীর সেলিম বিআরএস রেকর্ডের সময় সরকারী দখলীয় ভূমি তাদের নিজ নামে বিআরএস রেকর্ড করে। যে ভূমির বিরুদ্ধে ভূমি প্রতিরোধ আইনে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে- অভিযুক্ত জায়গাটি উচ্ছেদ ব্যবস্থা নিলে সরকার নিবে। এই ব্যাপারে গত ৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে সহকারী ভূমি কমিশনার, নেত্রকোণা সদর, মোঃ হাসিব-উল-আহসান, সার্ভেয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে জায়গাটি পরিদর্শন করেন। এলাকাবাসী দাবী করিয়াছে সার্ভেয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রকৃতভাবে মাপজোক না করেই মামলায় অভিযুক্ত স্থানটি অভিযোগকারীর উত্তরাধিকারীদের রেকর্ডীয় ভূমি বলে ঘোষণা করিলে এলাকাবাসী অভিযোগকারীর উত্তরাধিকারীদের ক্রয়কৃত ভূমি সীমানা নির্ধারণ করে সঠিক মাপ দেওয়ার জন্য জানায়। এই ব্যাপারে সহকারী ভূমি কমিশনার মোঃ হাসিব-উল-আহসানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিআরএস রেকর্ডে ঘরটি অভিযোগকারীদের রেকর্ডীয় স্থানে দেখা যাচ্ছে। আরওআর নকশায় মাপজোক করলে হয়তোবা অভিযুক্ত স্থানটি সরকারী খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে। এই ব্যাপারে মোঃ হাবিকুল জানায় আমি মোঃ এহসান কবীর রিদম এর কাছ থেকে সরকারী জায়গার পজেশান কিনেছি। এটি সরকারী জায়গা এলাকার সকলেই জানেন। প্রয়োজনে এলাকাবাসী আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে তা প্রমাণ করবেন। জানা যায়, মগড়া নদী দখলমুক্ত করার জন্য যখন নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল তখন অন্যান্যদের মতো মোঃ হাবিকুলের ঘরটির কিছু অংশ মগড়া নদীর সীমানার আওতাভুক্ত হিসাবে লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছিল সরকারী ভাবে। যাহা এখনো মগড়া নদীর দু’পাশের পুরো এলাকাজুড়ে বিদ্যমান রহিয়াছে। এ ব্যাপারে দেশ কণ্ঠস্বর প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী জায়গাটি সরকারী খাস জমি দাবী করিয়াছে মর্মে ভিডিও রেকর্ড ধারণ করিয়াছে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর