নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জেলার বারহাট্টা উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের ১,১২,৫১,৫৬৬.৩০ টাকার প্রকল্পের কাজ ছয় নয় দিয়ে শেষ হলেও গত এক বছরের আগের নির্মাণ কৃত ব্রীজ দেখে মনে হচ্ছে। কয়েক যুগ আগে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছিল। ব্রীজের প্লাস্টার উঠে গেছে, সাইটে মাটি নেই। যানবাহন নিয়ে উঠতে নামতে ও চলাচলের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনেই এক্সিডেন্টের ঘটনা ঘটছে। এলাকা বাসীর অভিযোগে ও সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় চিরাম ইউনিয়নের অধীনে মৈম্বটি গটুকিয়া কুরেরপাড় খালের ওপর ১৫ মি.দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ প্রাক্কলিত অর্থঃ ১,১৮,৪৩,৭৪৫.০০ টাকা ও চূড়ান্ত অর্থ: ১,১২,৫১,৫৬৬.৩০ টাকা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। মেসার্স অপু চৌধুরী, নিখিলনাথ রোড নেত্রকোণা। এই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ব্রীজ নির্মাণে ৪০% কাজে অনিয়ম হয়েছে। ব্রীজের সাইটে ব্লক দেওয়া হয়নি। মাটি দিয়ে তড়িগড়ি করে কাজ শেষ করা হয়েছে। বারহাট্টা পিআইও অফিসকে ম্যানেজ করে সকল টাকা উত্তোলন করে নিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। অনিয়মের বিষয় নিয়ে মেসার্স অপু চৌধুরী বলেন, ব্রীজে তিন বার মাটি কেটে দিয়েছি সাইটে ব্লক দিয়েছি। আমাদের সিকিউরিটির টাকা নিয়ে এসেছি। আমাদের আর কোনো কাজ নেই বলে জানান। এলাকার রাসেল মিয়া বলেন, এই ব্রীজ দিয়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচলের জন্য বিপদ জনক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু দিন পর পর মানুষ এক্সিডেন্ট করে নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ড্রাইভার আবদুল আউয়াল ও খালেক মিয়া বলেন, আমরা অটো নিয়ে ব্রীজের ওপর উঠতে পারিনা। প্রতিদিন ছোট বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। এই ব্রীজটি নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জিনিয়া জামান বলেন, আমি আসার আগে ব্রীজের কাজ শেষ হয়েছে। এটি খোজ খবর নিয়ে বলতে হবে বলে জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জেলার বারহাট্টা উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের ১,১২,৫১,৫৬৬.৩০ টাকার প্রকল্পের কাজ ছয় নয় দিয়ে শেষ হলেও গত এক বছরের আগের নির্মাণ কৃত ব্রীজ দেখে মনে হচ্ছে। কয়েক যুগ আগে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছিল। ব্রীজের প্লাস্টার উঠে গেছে, সাইটে মাটি নেই। যানবাহন নিয়ে উঠতে নামতে ও চলাচলের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনেই এক্সিডেন্টের ঘটনা ঘটছে। এলাকা বাসীর অভিযোগে ও সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় চিরাম ইউনিয়নের অধীনে মৈম্বটি গটুকিয়া কুরেরপাড় খালের ওপর ১৫ মি.দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ প্রাক্কলিত অর্থঃ ১,১৮,৪৩,৭৪৫.০০ টাকা ও চূড়ান্ত অর্থ: ১,১২,৫১,৫৬৬.৩০ টাকা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। মেসার্স অপু চৌধুরী, নিখিলনাথ রোড নেত্রকোণা। এই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ব্রীজ নির্মাণে ৪০% কাজে অনিয়ম হয়েছে। ব্রীজের সাইটে ব্লক দেওয়া হয়নি। মাটি দিয়ে তড়িগড়ি করে কাজ শেষ করা হয়েছে। বারহাট্টা পিআইও অফিসকে ম্যানেজ করে সকল টাকা উত্তোলন করে নিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। অনিয়মের বিষয় নিয়ে মেসার্স অপু চৌধুরী বলেন, ব্রীজে তিন বার মাটি কেটে দিয়েছি সাইটে ব্লক দিয়েছি। আমাদের সিকিউরিটির টাকা নিয়ে এসেছি। আমাদের আর কোনো কাজ নেই বলে জানান। এলাকার রাসেল মিয়া বলেন, এই ব্রীজ দিয়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচলের জন্য বিপদ জনক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু দিন পর পর মানুষ এক্সিডেন্ট করে নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ড্রাইভার আবদুল আউয়াল ও খালেক মিয়া বলেন, আমরা অটো নিয়ে ব্রীজের ওপর উঠতে পারিনা। প্রতিদিন ছোট বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। এই ব্রীজটি নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জিনিয়া জামান বলেন, আমি আসার আগে ব্রীজের কাজ শেষ হয়েছে। এটি খোজ খবর নিয়ে বলতে হবে বলে জানান।
Leave a Reply