1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

নেত্রকোণা বন্যপ্রাণি রক্ষায় সংলাপ অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৮ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণা বন্যপ্রাণি রক্ষায় সংলাপ অনুষ্ঠিত
নেত্রকোণা বন্যপ্রাণি রক্ষায় সংলাপ অনুষ্ঠিত

সুজাদুল ইসলাম ফারাসঃ নেত্রকোণা অনেক প্রাণের বৈচিত্র্য আছে বলেই তো আমরা এই পৃথিবীতে এত সুন্দর আছি। মানুষের অতি লোভ লাভ ও বিলাসিতার কারণে মানুষের উপকারী অনেক প্রাণসম্পদ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস, প্রাণির খাদ্য সংকট, দুর্বল আইন, চোরা শিকারী, হাওর জলাভূমি ও নদীর নাব্যতা হ্রাস, ভূমিতে অতিরিক্ত বিষ প্রয়োগ, বন্যপ্রাণী নিয়ে বাণিজ্য, মানুষের নির্দয় ব্যবহার এর কারণে প্রকৃতি ও মানবজাতির জন্য জরুরি এই প্রাণবৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। এসব বিষয়কে সামনে রেখেই বিশ্ববন্যপ্রাণি দিবস উপলক্ষে নেত্রকোণা গ্রিন কোয়ালিশন এর আয়োজনে ও বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক‘র এর সহযোগিতায় মঙ্গরবার সকালে নেত্রকোণা সদর উপজেলা হলরুমে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আসমা বিনতে রফিক, বিশেষ অতিথি ছিলেন নেত্রকোণা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মতিন, বন কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব নুরুজ্জামান, কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হক, নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সুজাদুল ইসলাম ফারাস, শিক্ষা-সংস্কৃতি-পরিবেশ ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি সহকারী ্অধ্যাপক নাজমুল কবীর সরকার, গ্রিন কোয়ালিশন কমিটির সহসভাপতি সাংবাদিক আলপনা বেগম, সাংবাদিক হৃদয় সাগর, সেভ দ্যা এনিমেলস অব সুসং এর সভাপতি রিফাত আহমেদ রাসেল, সাংবাদিক তানভীর হায়াত খান, যুবক, কিশোরী, উন্নয়ন কর্মী, সমমনা এনজিও, কৃষক, শিক্ষক, লেখক, গবেষকসহ অনেকেই। প্রথমেই প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সাংবাদিক মির্জা হৃদয় সাগর, আলোচনায় বক্তারা বলেন, “আমাদের বন-পাহাড়-জলাভূমি-পরিবেশ দিন দিন ক্ষতিগ্রস্থ ও বিলুপ্ত হচ্ছে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে বন ও জলজ প্রাণি, সাথে বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকৃতির সাথে সম্পর্কের জায়গাগুলো রক্ষা করতে হবে। ব্যাপক নিধনের ফলে এখন আর ঘুঘুর খুব একটা ডাক শোনা যায় না। গারোপাহাড়ে বাঘ, চিত্রা ও মায়া হরিণ, রামকুত্তা, ভোঁদর, বন্যশুকর, খেকশিয়াল মেঘলা চিতা, বাঘডাস গন্ধগোকুল, বড় টিকটিকি, বাদুর, পেঁচা, চিল, কৌড়াপাখি, ভোল্লুক, হরিণ, বানর, চিতাবাঘ, বনবিড়াল, সজারো, বনরুই, শুকর, বনগরু, গুইশাপ, উদবিড়াল, কালিম পাখি, সোনালি বিড়াল, রামকুকুর, কচ্ছপ, কাউট্টা, কাচিম, গেছোবাঘ, উল্লুক, সোনাগুইল, হনুমান, খরগোস, গোয়াল, লজ্জাবতী বানর, চশমাপড়া বানর, বন ছাগল, অজগর সাপ, বাঘ নীলগাই ও বন্য হাতি ইত্যাদির দেখা পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব প্রাণীর সচরাচর বিচরণ লক্ষ করা যায় না।” প্রাণের এই বৈচিত্র্যকে টিকিয়ে রাখতে হবে আমাদের প্রয়োজনেই।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর