1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

ইউএনওর বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৭ দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এহসানুল হককে অফিসে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। পরে রাত দুইটার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে শিক্ষক দম্পতিকে দিয়ে মীমাংসা হয়েছে মর্মে জোরপূর্বক ভিডিও সাক্ষাৎকার ধারন করেন।পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শিক্ষক দম্পতিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসানের প্রকাশ্যে ক্ষমা ও অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন এবং অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এহসানুল হককে অফিসে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। পরে রাত দুইটার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে শিক্ষক দম্পতিকে দিয়ে মীমাংসা হয়েছে মর্মে জোরপূর্বক ভিডিও সাক্ষাৎকার ধারন করেন। এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর প্রতিবাদে বুধবার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাত্মতা প্রকাশ করে বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং সড়ক অবরোধ করেন।বিক্ষোভকারীরা সকাল থেকে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখেন, যার ফলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। তারা ইউএনওর প্রকাশ্যে ক্ষমা এবং আজকের মধ্যেই তাকে দশমিনা উপজেলা থেকে অপসারণের দাবি জানান। দাবী পূরণ না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, এর আগেও ইউএনও ইরতিজা হাসান দুই শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন। এছাড়াও, তিনি নিয়মিত অফিস না করে বাসায় সময় কাটান, যার ফলে সেবা গ্রহীতারা হয়রানির শিকার হন। তারা জানান, ইউএনওর বাসা ও অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এই ইউএনওকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। বিকেলের মধ্যে দাবি না মানলে ইউএনওর সরকারি বাসভবন ঘেরাও করা হবে।’এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। একজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অধিকার কারও নেই। আমি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রাস্তাঘাট অবরোধ বা বাসভবন ঘেরাও মব জাস্টিসের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে, যা কাম্য নয়।’অভিযোগের বিষয়ে ইউএনওর সরকারি ফোনে চেষ্টা করে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা যানচলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য এক ঘন্টা বিরতি দিয়েছেন।।শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর