1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

নেত্রকোণায় হাওরের পানিতে ধান তলিয়ে ক্ষতি ৩৭৩ কোটি টাকার: ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮ হাজার কৃষক

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১৭১ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণায় হাওরের পানিতে ধান তলিয়ে ক্ষতি ৩৭৩ কোটি টাকার: ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮ হাজার কৃষক
নেত্রকোণায় হাওরের পানিতে ধান তলিয়ে ক্ষতি ৩৭৩ কোটি টাকার: ক্ষতিগ্রস্ত ৭৮ হাজার কৃষক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ—নদী ও হাওরের পানিতে ধান তলিয়ে ক্ষতি হয়েছে ক্ষতি ৩৭৩ কোটি টাকার। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন হাওর এবং নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৭৮ হাজার কৃষক। নদ—নদী ও খাল বিল ভরে যাওয়ার ফলে ধান শুকানোর খলাগুলোও তলিয়ে গেছে। এতে দীর্ঘ সময় স্তূপ করে রাখা ধান পচে হাওর এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের দাবি, ৯০ শতাংশ ধানে চারা গজিয়ে গেলেও টিকে থাকার লড়াইয়ে সেই পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ধানই সামান্য রোদে শুকিয়ে ঘরে তোলার চেষ্টা করছে তারা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার মোট বোরো আবাদ হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে। অতিবৃষ্টিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১৮ হাজার ৪৭৮ হেক্টর জমি। এর মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৮৭৭.৬৫ হেক্টর জমির ধান। উৎপাদনে মোট ক্ষতি ৭৫ হাজার ৯৪৯.৪৩ মেট্রিক টন যার আর্থিক মূল্য ৩৭২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ৭৭ হাজার ৩৬৩ জন। অপরদিকে হাওরে আবাদ করা ধানের পরিমাণ ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর, নিমজ্জিত হয়েছিল ১১ হাজার ২৩০ হেক্টর আর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ১০ হাজার ৭২৭ হেক্টর। উৎপাদনে ক্ষতি ৪৮ হাজার ২৭১ ধমমিক ৫০ মেট্রিক টন যার আর্থিক মূল্য ২৩৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৩৮ হাজার ২৩৮ জন।

বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আমিনুল ইসলাম। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা তৈরি করে প্রণোদনার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে, জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন জানান, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তালিকা করা হচ্ছে আগামী রবি সোমবার নাগাদ তা সম্পন্ন হবে। তালিকা অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরিতে ৭৫০০, ৫০০০ এবং ২৫০০ করে টাকা এবং ২০ কেজি করে চাল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে আগামী তিন মাস বিতরণ করা হবে।

কৃষি কার্ডের ব্যাপারে জানতে চাইলে খালিয়াজুরি সদরের কৃষক ক্ষিতিশ সরকার বলেন, আমার ১৫ কাঠা জমির ধান তলাইয়া গেছে। কিছু ধান তুলছি তাও আবার জায়গার অভাবে শুকাতে পারছি না। ২০১৭ সালের বন্যার পর এত বড় ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হইলাম আমরা হাওরের কৃষকরা। আর সাহায্য কার্ডের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন নাম এখনো নেয়নি। সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আঞ্জু মিয়া বলেন, আমাদের ক্ষতি হইছে ২০ কাঠা জমির ধান। সব পানিতে তলাইয়া গেছে। শ্রমিকের অভাবে কাটা যায়নি। ক্ষেতেই সব নষ্ট ইইছে। বিগত বছরে এই জমিতে প্রতি কাঠায় ৭ থেকে ৮ মণ করে ১৪০ থেকে ১৫০ মণ ধান পাইছি। কিছু ধান খোরাকির রাইখা বাকি বিক্রি কইরা দিছি। এ বছর যে ক্ষতি হইছে তার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় এক লাখ টাকার উপরে। এ ক্ষতি পুরণ হবার নয়। সরকারের অনুদানের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কি অইবো অনুদানের টাকায়? কয়দিন চলবো তাতে? কষ্ট কইরাই চলতে হইবো আমাদের।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর