1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এমপির হস্তক্ষেপে দখল থেকে রক্ষা পেল হিন্দু পরিবারের জায়গা

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫ দেখা হয়েছে
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এমপির হস্তক্ষেপে দখল থেকে রক্ষা পেল হিন্দু পরিবারের জায়গা
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এমপির হস্তক্ষেপে দখল থেকে রক্ষা পেল হিন্দু পরিবারের জায়গা

এ কে এম এরশাদুল হক জনিঃ নেত্রকোণায় রাতের আধাঁরে জমি বে-দখলের চেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এমপির হস্তক্ষেপে দখল থেকে রক্ষা পেল হিন্দু পরিবারের জায়গা নেত্রকোণা জেলা শহরের জয়নগর এলাকার প্রণজিত সাহা ২০০৭ সালে বলাইনগুয়া এলাকায় প্রাণনাথ চন্দ্র সরকারের কাছ থেকে ১৮.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে চাষাবাদের মাধ্যমে ভোগদখল করে আসছিল। পরবর্তীতে প্রাণনাথ চন্দ্র সরকার প্রনজিত সাহার কাছে বিক্রয়কৃত ১৮.৫০ শতাংশ জমি সহ ৮৫ শতাংশ জমি অন্যান্য লোকজনের কাছে বিক্রয় করে দেয়। বিষয়টি জানার পর বিগত ২০২৫ সালের ১৪ নভেম্বর ভূমি অফিসে গিয়ে খারিজ ভাঙ্গার আবেদন করলে সেখান থেকে খারিজ ভাঙ্গার কথা জানানো হয়। এ নিয়ে প্রণজিত সাহার সাথে প্রাণনাথ চন্দ্র সরকারের বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে প্রাণনাথ চন্দ্র সরকার তার অনুগত লোকজন নিয়ে ৫ মার্চ দিবাগত রাত অনুমান ১টার দিকে (৬ মার্চ) প্রনজিত সাহার ক্রয়কৃত জমি বেদখলের উদ্দেশ্যে পিলার ও কাঠ টিন নিয়ে ঘর তোলার চেষ্টাকালে গভীর রাত প্রায় ২টায় শিক্ষক প্রণোজিৎ সাহা তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করেন যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কিছু ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে তার জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করেছে। তিনি তার বক্তব্যে কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন। বিষয়টি প্রায় ৩০ মিনিট পর নেত্রকোণা ২ সদর বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এর নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই নেত্রকোণা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে প্রতিরোধ করার জন্য নির্দেশ দেন, তিনি দ্রুত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং অভিযুক্তদের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করার চেষ্টা করেন পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় পরবর্তীতে সেহরির সময় বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারের সঙ্গেও কথা বলেন। এ ঘটনায় প্রণজিত সাহার স্ত্রী ঝুমুর রানী সাহা বাদী হয়ে প্রাণনাথ চন্দ্র সরকারসহ ৬ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭ জনকে আাসামী করে নেত্রকোণা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এ ব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল মামুন সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাননীয় এমপি স্যারের নির্দেশে আমি দ্রুত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। জমি নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি নেত্রকোণা ২ সদর বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, এটি মূলত জমি সংক্রান্ত একটি বিরোধ, যা আরেক সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি প্রাণনাথ এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে আদালতে মামলাধীন। এছাড়া ফেসবুক লাইভে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের কেউই বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্য নয়। বরং স্থানীয়ভাবে জানা গেছে তারা পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ। সুতরাং এই ঘটনায় বিএনপির নাম জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। ঘটনাটি জানার ৩০ মিনিট পরপরই আমি প্রশাসনকে দ্রুত ঘটনা স্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইসলাম উদ্দিন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুম মোল্লাকে রাতেই সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ও তাদের পাশে দাড়ানোর কথা বলি। পাশাপাশি আমি নিজেও রাতেই প্রণোজিৎ সাহার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলি, তাকে আশ্বস্ত করি এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় থানায় মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দিই। আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। দুঃখজনকভাবে একটি মহল এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমনভাবে প্রচার চালাচ্ছে যেন বিএনপির নেতাকর্মীরা এর সঙ্গে জড়িত। আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—এই ঘটনার সঙ্গে বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ নেই। তারপরও আমি স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—যদি তদন্তে আমার দলের কোনো ব্যক্তি বা নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসুক। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর