1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

উপজেলায় এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার না থাকায় সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১১ দেখা হয়েছে
উপজেলায় এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার না থাকায় সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ
উপজেলায় এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার না থাকায় সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

এ কে এম আব্দুল্লাহঃ নেত্রকোনায় নেই নিজস্ব জায়গা, নিজস্ব ভবন, ৩ উপজেলায় দীর্ঘ এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার না থাকায় জমি ক্রেতা বিক্রেতা সহ সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জেলা রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলায় জেলা রেজিস্ট্রার ও সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের নিজস্ব জায়গা ও অফিস না থাকায় সাময়িক অফিসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন জজ কোর্টের পরিত্যক্ত ভবন ব্যবহার করা হচ্ছে। জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত ভবনে পর্যাপ্ত জায়গা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় জেলা রেজিস্ট্রার ও সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা স্টাফ, নকলনবিশদেরকে স্যাতঁ স্যাতেঁ রুমে বসে কাজ করতে হচ্ছে।
এছাড়াও দলিল লেখক ও তল্লাশি কারকদেরকে বারান্দায় বসে গিজগিজ পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে। রেকর্ড রুমে জায়গা ও প্রয়োজনীয় র্যাকের অভাবে হাজার হাজার বালাম বই সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্ষাকালে বৃষ্টির ধাওয়া পানিতে ও স্যাতঁস্যাতেঁ ভবনের দরজা জানালা ও ভেন্টিলেটর দিয়ে জলীয় কনা রুমে প্রবেশ করে এবং অনেক বালাম বই মেঝেতে পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে। কেন্দুয়া, বারহাট্টা ও খালিয়াজুরী উপজেলায় দীর্ঘ এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার নাই। সম্প্রতি আরো দুই জন সাব রেজিস্ট্রার দুই মাসের জন্য প্রশিক্ষণে চলে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ আরো চরম আকার ধারন করেছে। বিভিন্ন সাব রেজিস্ট্রার অফিস সরেজমিনে পরিদর্শন করে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নেত্রকোনা সদর, বারহাট্টা, কলমাকান্দা, মোহনগঞ্জ ও পূর্বধলা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে কোন পিয়ন নাই। আজ পর্যন্ত রেকর্ড রুমে কোন পিয়ন নিয়োগ দেয়া হয়নি।
প্রতিদিন প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রার অফিসে শত শত লোক জমি ক্রয় বিক্রয়ের জন্য দলিল রেজিষ্ট্রেশন, দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রাহককে হস্তান্তর, দলিলের নকল নিতে আসে। সাব রেজিস্ট্রার সংকটের কারনে এক এক জন সাব রেজিস্ট্রারকে সপ্তাহে একাধিক উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে তারা সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালনে হিমসিম খাচ্ছে। দলিল লেখক সৈয়দ আব্দুর রাজ্জাক বাচ্ছু বলেন, নিজস্ব জায়গা ও ভবন না থাকায় দলিল লেখকদেরকে বারান্দায় প্রচন্ড গরমে গিজগিজ পরিবেশে ও বর্ষাকালে বৃষ্টির ধাওয়া পানিতে ভিজে কাজ করতে হয়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়। এতে জনদুর্ভোগ কয়েকগুন বেড়ে যায়। সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার রোমানা আক্তার লোপা বলেন, প্রতিদিন দুর দুরান্ত থেকে শত শত নারী পুরুষ এখানে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসে। এখানে পাবলিক টয়লেট না থাকায় লোকজনকে বিশেষ করে মহিলাদেরকে পস্রাব পায়খানা সারতে চরম বিপাকে পড়তে হয়।
এ ব্যাপারে জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুল খালেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ সব সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি প্রতি চার মাস পর পর বিভিন্ন সাব রেজিস্ট্রি অফিস পরিদর্শন করি যেসব সমস্যা পেয়েছি, তা দ্রুত নিরসনের জন্য মহা পরিদর্শক নিবন্ধন সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসছি। সম্প্রতি জেলা রেজিস্ট্রার ও সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের জন্য জেলা শহরের বনুয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। জায়গা অধিগ্রহনের পর দ্রুতই সেখানে নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে জনদুর্ভোগ বহুলাংশে কমে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর