1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

খননের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ কুরপাড় খাল ইরি-ব্যুরো মৌসুমের পূর্বেই খননের দাবী

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৮ দেখা হয়েছে
খননের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ কুরপাড় খাল ইরি-ব্যুরো মৌসুমের পূর্বেই খননের দাবী
খননের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ কুরপাড় খাল ইরি-ব্যুরো মৌসুমের পূর্বেই খননের দাবী

স্টাফ রিপোর্টারঃ নেত্রকোণা পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কুরপাড় মৌজার আবাসিক এলাকা পরিণত হয়েছে ১৯৮০ এর দশকে কুরপাড় এলাকাটি কাইলাটী ইউনিয়নের অর্ন্তভুক্ত ছিল। মরহুম হাফিজ উদ্দিন মীর ইউ.পি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি তৎকালীন সময়ে খালটি খনন করেছিলেন। ৯০ দশকে কুরপাড় এলাকাটি পৌরসভার অর্ন্তগত হলেও আর কোন অর্থ বছরে খালটি খনন করা হয়নি। প্রায় অর্ধশত বছর পরে খালের পাড়ে আশে পাশে বাসা বাড়ী বহুতল ভবন স্থাপিত হয়ে এলাকাটি একটি ঘনবসতিতে পরিণত হয়েছে। পলিথিন ময়না আবর্জনায় খালটি বিএডিসি বীজ উৎপাদন খামার হইতে বিলগুজাবগী পর্যন্ত ভরাট হয়ে গেছে। বাসা বাড়ী ড্রেনের পানিতে দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে খালের পাড়ে বসতিগণ দুর্গন্ধে আক্রান্ত হয়। ৮০ দশকে খালটি খননের পর নেত্রকোণা কেন্দুয়া রাস্তা হইতে বিএডিসি খামার পর্যন্ত খাল পাড়ের রাস্তাটি কিছু স্থান অবৈধ দখল হয়েছে। নেত্রকোণা কেন্দুয়া রাস্তা খালের উপর স্থাপিত বক্স কালভার্ট টেন্ডার অনুযায়ী না করে ৪ ফুট প্রস্থ কম করায় বর্ষাকালে ব্যাপক এলাকায় বৃষ্টির পানি নিস্কাসনে বাধা হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বক্স কালভার্টের পূর্ব দিকে ও পশ্চিম দিকে নমায় নেই খাল। এ বিষয়ে একাধিকবার সরকারী কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দীর্ঘদিন যাবত এখনো এর কোন সমাধান হয়নি। খালটি কুরপাড় মৌজা হয়ে বনুয়াপাড়া অংশ ভায়া বিলগুজাবগী বিলে সংযুক্ত ছিল। মরহুম হাফিজ উদ্দিন মেম্বার খালটি খনন করার সময় বাঁকটি সোজা করে কুরপাড় মৌজা হইতে বিলগুজাবগী বিলে সংযুক্ত করেন। কথিত আছে মাছ ধরার জন্যই বনোয়াপাড়া থেকে খালটি কুরপাড়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। বনোয়াপাড়া খালের স্থানে বাড়ীঘর যেখানে খালের বন্ধ কালভার্ট এর পূর্ব পশ্চিমে মালিকানা জমি ফলে পূর্ব অংশে খাল বন্ধ, পশ্চিম অংশে ৪ থেকে ৫ ফুট খাল রয়েছে। ফলে শুকনো মৌসুমে বাসা বাড়ীর পানি নির্গত হয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। বিএডিসি খামারের পিছনে স্থাপিত হয়েছে জেলা কারাগার। কারাগারের বাহিরে পশ্চিম দিকের প্রাচীর এমনভাবে করা হয়েছে যে, প্রাচীরটি খালের ভিতরে খালের দিকে হেলে পড়লে খালের পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব সীমানায় প্রাচীরে হেলানো পিলার দিয়ে সাপোর্ট দেওয়ায় পানি চলাচলের বাধা সৃষ্টি হয়। খালের শুরুতে ও শেষে খাল বন্ধের আলামত দেখে খালপাড়ে থাকা বাসা বাড়ীর লোকজন যে যার মত অবৈধভাবে দখল করছে খাল। অবাদে ফেলা হচ্ছে ময়না আবর্জনা। মারাত্মক ভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বর্ষা হলে এইসব আবর্জনার ব্যাপক এলাকা দূষিত হয়ে পরে। পানিতে তলিয়ে যায় রাস্থা। নেত্রকোণা পৌরসভার পরিকল্পনা অনুযায়ী বক্স কালভার্ট না করায় অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠেছে কাচা পাকা সাঁকো ব্রীজ। খালটি একটি গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নাগড়া, আনসার ক্যা¤প, বিএডিসি জেলা কার্যালয়, সড়ক ভবন, এলজিইডি ভবন, আনন্দ বাজার, জেলা বাসষ্ট্যান্ড, হোসেনপুর, পারলা, চল্লিশাপাড়া হাওড় বিএডিসি’র বীজ উৎপাদন খামার সহ ৬টি মৌজার এলাকার ঘনবসতি পানি নিষ্কাসনের একমাত্র খাল। যার কোন বিকল্প নেই। আগামী বর্ষায় খালটি খনন করা না হলে জলাবদ্ধতার প্রকট আকার ধারণ করবে। গত বছর বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘদিন যাবত রাস্থা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে ঘনবসতি শহরবাসী মানুষের। এলাকাবাসী দ্রæত খালটি খনন, বক্স কালভার্ট স্থাপন ও রাস্থা মেরামত করার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট। নেত্রকোণা কেন্দুয়া রাস্তা খালের উপর স্থাপিত বক্স কালভার্ট এর পূর্ব দিকে খাল বন্ধ হয়ে গেছে। খালের মুখ খুলে না দিলে বর্ষাকালে ব্যপক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে তলিয়ে যাবে ফসলি জমি বাসা বাড়ি রাস্তা ঘাট। সম্প্রতি দেখা যায়, খাল খনন না হওয়ার কারণে বর্তমানে পূর্বের চেয়ে ৩/৪ ফুট ময়লা আর্বজনায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষাকালে পানি চলাচলের বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবী দ্রæত সময়ের মধ্যে খনন কাজ শুরু না হলে চলতি মৌসুমে ইরি-ব্যুরো শুরু হলে খনন কাজের বিঘœ ঘটবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর