1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

নেত্রকোণায় এলজিইডি প্রকৌশলীর বিচার চেয়ে আবেদন

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০২ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণায় এলজিইডি প্রকৌশলীর বিচার চেয়ে আবেদন
নেত্রকোণায় এলজিইডি প্রকৌশলীর বিচার চেয়ে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নেত্রকোণা সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ—সহকারী প্রকৌশলী মো: ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিভাগীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অভিযোগকারী সোহাগ মিয়া প্রীতম ও অভিযোগ গ্রহণকারী নির্বাহী প্রকৌশলী তারা দুজনের অভিযোগ প্রদান ও গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছন। আবেদন সূত্রে জানা গেছে, উপ—সহকারী প্রকৌশলী মো: ইমরান হোসেন তার অফিস কক্ষে নিজ টেবিলে বসে একজন ঠিকাদারের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি ঘুষ আদান—প্রদানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নেত্রকোণা সদরের গজিনপুর এলাকার বাসিন্দা মো: সোহাগ মিয়া প্রীতম গত ২৬ জানুয়ারি এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারি কর্মচারীদের এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড শুধু সরকারি আচরণবিধির পরিপন্থীই নয়, বরং সরকারের ভাবমূর্তি এবং দপ্তরের সুনাম চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। জনস্বার্থে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আবেদনে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রচলিত আইনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আবেদনকারী মনে করেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। নেত্রকোণা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ওয়াহিদুজ্জামান, “আপনাদের (অভিযোগকারী) মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমাকে কেউ কোনো কপি (অনুলিপি) দেয়নি। শুধু মৌখিকভাবে বলেছে, শুনি নাই। যেহেতু প্রমাণ (এভিডেন্স) পেলাম, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখনই যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কর্তৃপক্ষকে জানাব। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর