1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

নেত্রকোণায় ১১ বছরের কিশোরী ধর্ষণ ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ঘটনার আসল ঘটনা রহস্য ঘেরা

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৯৫ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণায় ১১ বছরের কিশোরী ধর্ষণ ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ঘটনার আসল ঘটনা রহস্য ঘেরা
নেত্রকোণায় ১১ বছরের কিশোরী ধর্ষণ ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ঘটনার আসল ঘটনা রহস্য ঘেরা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গত কয়েকদিন ধরে নেত্রকোণা জেলার মদন থানার কাইটাইল ইউনিয়নের পাচাহার গ্রামের একটি ১১ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ পরবর্তী প্রেগনেন্সিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বহুল আলোচিত ও সমালোচিত এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর সংশয়। আসল অপরাধী কে? এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ মানুষ মেয়েটির পক্ষে অবস্থান নিয়ে অভিযুক্ত আমানুল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে সরাসরি মন্তব্য করছেন। পাশাপাশি, তিনি একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক হওয়ার কারণে কিছু মহল থেকে মাদ্রাসা ও আলেম—ওলামাদের বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশ্বস্ত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, মেয়েটির মা—বাবার মধ্যে অনেক আগেই বিচ্ছেদ হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি মদন থানার ফতেপুর গ্রামে। পারিবারিক বিচ্ছেদের পর মেয়েটি তার নানার বাড়িতে বসবাস করত। বাড়ির নিকটে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ২০২২ সাল থেকে সেখানে সে লেখাপড়া করত। প্রায় ৫—৬ মাস আগে তার মা তাকে নিয়ে সিলেটে চলে যান। পরবর্তীতে মেয়েটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ করা গেলে বাড়িতে আনা হয় এবং ডাক্তারি পরীক্ষায় তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তখন অভিযোগ আনা হয় আমানুল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দরবার ও শালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমানুল্লাহ সাগর অভিযোগ অস্বীকার করে এবং বিষয়টি প্রমাণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান। এ সময় মেয়ের পক্ষ থেকে আপস—মীমাংসার প্রস্তাব হিসেবে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করা হয় বলে জানা যায়। তবে আমানুল্লাহ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এবং ঘটনাটি ভিকটিমের আপন নানার সাথে হতে পারে বলে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে বলেন এবং নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। স্থানীয় কিছু সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অনুসন্ধান করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ উদঘাটন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে এবং তার ভাইকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এমন একটি সংবেদনশীল বিষয়ে, যখন এখনো তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি, তখন কোনো ব্যক্তিকে একতরফাভাবে দোষী সাব্যস্ত করা এবং একটি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা বা আলেম সমাজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো মোটেই ন্যায়সংগত নয়। তদন্ত ও যথাযথ যাচাই—বাছাইয়ের মাধ্যমে যদি প্রমাণিত হয় যে, আমানুল্লাহ সাগর অপরাধী, তবে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর যদি সে নির্দোষ প্রমাণিত হন, তবে প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর