মোঃ ফারুক আহমেদঃ নেত্রকোণা সদর উপজেলা ১১নং কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়ন আনন্দ বাজার এলাকায় ধানের শীষের মার্কা নির্বাচনী প্রচারণায় পথসভা অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার পথসভায় ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট চেয়ে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা—২ (সদর—বারহাট্টা) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি—পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোণা—২ (সদর—বারহাট্টা) নির্বাচনী এলাকায় নেত্রকোণা সদরের পাশাপাশি বারহাট্টার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। বারহাট্টার জনগণের মতামতে এ আসনে এগিয়ে আছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মো. আনোয়ারুল হক। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক জানান, আমি মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই আমার নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয়। আমার নির্বাচনী এলাকায় আমি শুধু রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, পাশাপাশি একজন চিকিৎসক হিসেবেও মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। দলের দুঃসময়ে জেলা আহ্বায়কের দায়িত্বে থেকে আমি স্বৈরাচার বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন—সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমার নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোণা সদরের পাশাপাশি এলাকার সকল নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে নিয়মিত মিছিল—সমাবেশ করে যাচ্ছেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, ‘আমি জনগণের জন্য রাজনীতি করি। তাই জনকল্যাণমূলক কাজ করার চেষ্টা করছি। এছাড়াও এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ সুন্দর রাখার ব্যাপারেও আমি সব সময় সজাগ আছি। আশা করি ভোটাররা এসব বিষয় নিশ্চয়ই বিবেচনা করবেন এবং আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।’ বারহাট্টা উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মো. আনোয়ারুল হকের ক্লীন ইমেজ রয়েছে। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে দলের আহত নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ মো. আনোয়ারুল হক আমাদের উপজেলায় ঘন ঘন গনসংযোগ করছেন এবং আমাদের এলাকার গরীব—দুঃখী জনগণের বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছেন এবং জনগণের সেবক হিসাবে বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি—মেডিকেল ক্যাম্প করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। আমরাও মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছি। উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমাদের এলাকার রাস্তা—ঘাটসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও কোন উন্নয়ন হয় নাই। যিনিই এমপি হয়েছেন, তিনি শুধু তার দলের নেতাদের পেট ভরিয়েছেন। জনগণের সুযোগ—সুবিধার কথা কখনোই চিন্তা করেন নাই। তারা বলেন, আমরা এখন ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছি। গাবরাগাতী ইউনিয়নের মানুষ এখন অনেক সচেতন, তাই এ এলাকার জনগণ এখন আর কোনো চাঁদাবাজ কোন সন্ত্রাসী নেতার নেতৃত্ব চায় না। তাই আমরা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে যোগ্য, পরোপকারী এবং নিঃস্বার্থ ব্যক্তি হিসাবে আমাদের প্রিয় ব্যাক্তিত্ব আনোয়ারুল হক সাহেবকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব।
Leave a Reply