স্টাফ রিপোর্টারঃ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর গ্রামের মরহুম গণি চৌধুরীর কৃতি সন্তান মিজানুর চৌধুরী। তিনি ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ায় গমন করেন। বর্তমানে মালয়েশিয়া একাধিক ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। মিজানুর চৌধুরী মামার বাড়ি আটপাড়া তেলিগাতী মরহুম জনপ্রিয় বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমানের ভাগ্নে। ইতিমধ্যে তিনি মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে নিজ এলাকায় ও মামার বাড়ি আটপাড়া-মোহনগঞ্জে গরীব, অসহায় মানুষদের বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করে আসছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ মসজিদ, মাদ্রাসায় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন। মিজানুর চৌধুরী মালয়েশিয়ার নাগরিকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বস্ত্রীক সহ একাধিকবার দেশে এসে উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী ছিলো। যারফলে ২০০৮ সালে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর রোষানলের কবলে পড়েন তিনি এবং এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে মালয়েশিয়াতে পাড়ি জমান। তিনি এমএন মাল্টি ভিশন এসডিএন বিএইডি এর সিইও এবং কো-ফাউন্ডার হিসাবে কোম্পানী পরিচালনা করে আসছেন সেই সাথে জানোর মাজু এন্টারপ্রাইজ, হরিজন ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর স্বত্বাধিকারী হিসাবে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এই সুবাধে গত ১১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস এর সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ১২ই আগস্ট ২০২৫, মঙ্গলবার, সময় ১৭:০০ ঘটিকায় সারাওয়াক হল, লেভেল-বি২, হোটেল শাংগ্রি-লাতে আমন্ত্রিত হয়ে সাক্ষাৎ করেন মিজানুর চৌধুরী। এ সময় আরো সাক্ষাৎ করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন সহ বিএনপির মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জহুর প্রদেশ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর চৌধুরী। এই ব্যাপারে দৈনিক দেশ কণ্ঠস্বর পত্রিকায় অনলাইন পোর্টালে, ফেইসবুকে সংবাদ প্রকাশিত হলে নেত্রকোণায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন মিজানুর চৌধুরী। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন এবং বলেন আমি বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হয়ে জীবন রক্ষার্থে অবশেষে মালয়েশিয়া চলে আসি। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির চেতনা ধারণ করে প্রবাসী বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী সমর্থকদের কে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিগত সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ, মিছিল, মিটিং সহ কর্মসূচী পালন করেছি। সেই সাথে মালয়েশিয়া জহুর প্রদেশ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করি। এই ব্যাপারে নেত্রকোণা জেলা বিএনপির নীতি নির্ধারক মহলে একাধিক ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বললে তাঁরা জানায় মরহুম হাফিজুর রহমান এর ভাগিনা মিজানুর চৌধুরী আশা করি ভবিষ্যতে নেত্রকোণার রাজনীতি সম্পৃক্ত হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।
Leave a Reply