স্টাফ রিপেডার্টারঃ নবাগত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় নবাগত জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সাথে মতবিনিময় করেছেন জেলার কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা। এসময় সদ্য প্রয়াত সিনিয়র সাংবাদিক কবীর হোসেন চান মিয়ার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা জেলার নানা সম্ভাবনা, সমস্যা ও অভিযোগ নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। সাংবাদিকদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সবগুলো বিষয় তিনি আমলে নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন খন্দকার মুশফিকুর রহমান। নেত্রকোণাকে দেশের সম্ভাবনার অফুরন্ত জেলা হিসেবে পরিচয়ে গড়ে তোলা হবে বলেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। তিনি সাংবাদিকবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, নেত্রকোণা জেলার উন্নয়নে জনবান্ধব প্রশাসন, অধিকতর জবাবদিহি মূলক প্রশাসন এবং স্বচ্ছ জনপ্রশাসন হিসেবে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন এবং সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। এছাড়াও তিনি বলেন, হাওর নদী ও পাহাড় বেষ্টিত জেলায় অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। জেলার অভিবাবক ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদ সদস্যদের সাথে পরামর্শক্রমে সেটাকে কাজে লাগিয়ে নেত্রকোণাকে দেশের সম্ভাবনার অফুরন্ত জেলা হিসেবে পরিচয়ে গড়ে তোলা হবে বলে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। নেত্রকোণার নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। এ সময় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুখময় সরকার, পৌরসভার প্রশাসক আরিফুর রহমান সর্দার, জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক এম, কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, সিনিয়র সাংবাদিক শ্যামল্যান্দু পাল, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি জাহিদ হাসান, প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান খান, জেলা প্রেসক্লাবের কার্যকরি কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক ভজন দাস, খলিলুর রহমান শেখ ইকবাল, জালাল চৌধুরী, কামাল হোসেনসহ অন্যরা। খন্দকার মুশফিকুর রহমান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৮তম ব্যাচের সদস্য এবং সরকারের একজন উপসচিব। নেত্রকোণায় যোগদানের আগে তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারও আগে তিনি মাঠ পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে রাজবাড়ী জেলায়, ইউএনও হিসেবে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় এবং মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলায় এসিল্যান্ড হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে দুইবার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড এবং জেলা পর্যায়ে নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। খন্দকার মুশফিকুর রহমানের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার ভেঙুলা গ্রামে। তিনি নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে সরকারি স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে দ্বিতীয় বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
Leave a Reply