1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন

সারের বাড়তি দামে বারহাট্টায় কৃষকের আড়াই কোটি টাকা গচ্চা, কৃষি কর্মকর্তার ‘অদ্ভুত’ দাবি

  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৯ দেখা হয়েছে
সারের বাড়তি দামে বারহাট্টায় কৃষকের আড়াই কোটি টাকা গচ্চা, কৃষি কর্মকর্তার ‘অদ্ভুত’ দাবি
সারের বাড়তি দামে বারহাট্টায় কৃষকের আড়াই কোটি টাকা গচ্চা, কৃষি কর্মকর্তার ‘অদ্ভুত’ দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে নন-ইউরিয়া সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ডিএপি ও এমওপি সার কিনতে বাধ্য হয়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় কৃষি বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, চলতি মৌসুমে বারহাট্টায় ১৫ হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ মৌসুমে ১৫ হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক হেক্টর সমান ২.৪৭ একর হিসেবে মোট আবাদি জমির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ হাজার ৫০ একর। কাটায় হিসাব করলে জমির পরিমাণ হয় প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কাটা। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কাঠা জমিতে গড়ে ৭ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার ব্যবহার করা হয়েছে। উপজেলায় মোট ব্যবহৃত নন-ইউরিয়া সারের পরিমাণ প্রায় ৫১ হাজার ৪৭০ বস্তা। কৃষকদের অভিযোগ, বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা (গড়ে ৪৫০ টাকা) বেশি নেওয়া হয়েছে। সারের বাড়তি এই দামের কারণে উপজেলার কৃষকদের পকেট থেকে অতিরিক্ত প্রায় দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা বেরিয়ে গেছে। কৃষকদের ভাষ্য, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন। উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকছেন। বারহাট্টার সাতটি ইউনিয়নের একাধিক কৃষক হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “উৎপাদন খরচের সঙ্গে ফসলের বাজারদরের কোনো মিল নেই। সার, বীজ, শ্রম- সবকিছুর দাম আকাশছোঁয়া। এভাবে চললে চাষাবাদ ধরে রাখা আমাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে।” কৃষি সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সারের বাজারে কঠোর নজরদারি না থাকলে ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত বাজার তদারকি এবং দায়ী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতার বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কৃষকদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে তার এ বক্তব্যের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুজন ডিলারকে জরিমানা করে। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, সেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় এই কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা নিজেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নিজে উপস্থিত থেকে জরিমানা করার পরও ‘কোনো অভিযোগ পাইনি’- তার এমন বক্তব্যে জনমনে চরম ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর