1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন

হাওরে বাঁধ সংস্কারে ধীরগতি বোরো নিয়ে কৃষকের শঙ্কা

  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ২২৫ দেখা হয়েছে
হাওরে বাঁধ সংস্কারে ধীরগতি বোরো নিয়ে কৃষকের শঙ্কা
হাওরে বাঁধ সংস্কারে ধীরগতি বোরো নিয়ে কৃষকের শঙ্কা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এখন সবুজের সমারোহ। কিছুদিন পরই পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা। তবে হাওরের ফসল রক্ষায় বাঁধ সংস্কারের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন স্থানে মাটি ভরাটসহ প্রয়োজনীয় কাজ বাকি থাকায় আগাম বন্যার শঙ্কায় বোরো ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাওরপারের কৃষকরা। খালিয়াজুরী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, এখনো কাজ শেষ হয়নি। মাটির কাজই বাকি রয়ে গেছে। দূর্বা ঘাসও লাগানো হয়নি। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো হাওরাঞ্চলের অনেক স্থানে মাটি ভরাটসহ আনুষঙ্গিক কাজ বাকি রয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলার শতভাগ হাওর উপজেলা খালিয়াজুরী, মদন, মোহনগঞ্জ ও কলমাকান্দা উপজেলায় ৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কাবিটা প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩৪টি ছোট-বড় হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পাউবোর কারিগরি সহায়তায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে হাওরে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুবন্ত বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়। স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় তারা অকাল বন্যার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। বাঁধের কাজ পুরোপুরি মজবুত না হলে সামান্য ঢলও সামলানো কঠিন হবে। কৃষক জয়নাল মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘বান (বাঁধ) দেয়ার কথা এক মাস আগে। দেয়া হয়েছে এক মাস পরে। বানের মাটি যদি শক্ত না হয়, তাহলে অল্প বৃষ্টি হলেই তা ভেঙে যাবে। যদি আগাম বন্যা হয়, তাহলে তো ফসল রক্ষা করাই কঠিন হবে। আল্লাহ দয়া না করলে ফসল যাবে, সরকারের টাকাও নষ্ট হবে।’ হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোনায়েম খান বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে এক সপ্তাহ হয়ে গেল, এখনো বাঁধের কাজ চলছে।’ বিভিন্ন হাওরাঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক জায়গায় ৫০-৬০ ভাগ ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চৈত্রের শুরুতে হঠাৎ আগাম বন্যার পানি চলে এলে কৃষকের সারা বছরের একমাত্র বোরো ফসল ফলানোর কষ্ট বিফলে যাবে। পাকা ধান কেটে আর ঘরে তুলতে পারবেন না তারা। তবে আগামী সাতদিনের মধ্যেই বাঁধ সংস্কারের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কাবিটা স্কিম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম। তিনি বলেন, ‘বাঁধের মাটি ভরাটের এরই মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ মাটি ভরাট ও বাঁধের ওপর ঘাস লাগানোর কাজ এক সপ্তাহের মধ্যেই সমাপ্ত হবে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানকার হাওর থেকে দেরিতে পানি সরে যাওয়ায় প্রকল্প চিহ্নিতকরণের কাজ কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শুরু করা যায়নি। প্রকল্পের কাজ দেরিতে শুরু হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি।’ তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট কাজ শেষ করে ফসলকে ঝুঁকিমুক্ত করার আশ্বাস দেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর