1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

নেত্রকোণায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারি শিক্ষিকার অভিযোগ

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৯ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারি শিক্ষিকার অভিযোগ
নেত্রকোণায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারি শিক্ষিকার অভিযোগ

বারহাট্টা প্রতিনিধি ঃ জেলার বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু মুসহাব মোহাম্মদ হায়দার খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে সহকারি শিক্ষিকার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময় স্কুল ফাঁকি দিয়ে মিছিল মিটিং ও হোমিও চিকিৎসা জন্য বাহিরে থাকেন। গত ৯-৮-২৫ ইং তারিখের অভিযোগে জানা যায়, সহকারি শিক্ষিকা রিক্তা বেগম দীর্ঘ দিন যাবৎ এ বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক নানা সময়ে সহকারি শিক্ষিকা ম্যাডামের সাথে অসৎ আচরণ সহ নানান বিষয়ে হেনেস্থা করেন। প্রায় সময়েই তাকে উত্যক্ত করেন এই নিয়ে অন্য শিক্ষকদের জানালে হঠাৎ করে তার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে ছুটি ও বেতনের বিষয়ে হয়রানী করেন। গ্রামের কিছু অশিক্ষিত বর্বর উগ্রপন্থী লোক ডেকে নিয়ে শিক্ষিকা কে ভয়ভীতি দেখান। এর মধ্যে অসুস্থতার জন্য ৩ দিনের নৈমিত্তিক ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের বরাবর ৫ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করিলে তিনি তা অনুমোদন দিবেন না ও সুপারিশও করবেন না বলে জানান। অফিসে প্রধান শিক্ষক ছাড়া অন্য কেউ ছিলনা তখন সহকারি শিক্ষিকাকে ধাক্কা দিয়ে অফিস কক্ষে ফেলে দেন। প্রতিবাদ করতে এলে ছেলে ও স্বামী মাসুদ করিমকে গ্রামের উগ্র পন্থী কিছু লোক নিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেন। প্রধান শিক্ষকে বিভিন্ন উগ্রপন্থী আচরণের জন্য এবং ন্যায্য অধিকার থেকে সহকারি শিক্ষিকাকে বঞ্চিত করে। তিনি যে অপ্রত্যাশিত এবং অমানবিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন তা থেকে অব্যাহতি এবং সুবিচার দাবি করেন সহকারি শিক্ষিকা রিক্তা বেগম। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের হামলার শিকার হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই নিয়ে প্রধান শিক্ষক আবু মুসহাব মোহাম্মদ হায়দার খান জানান সহকারি শিক্ষিকাকে ছুটি দেওয়ার পর সে আরো অতিরিক্ত ছুটি দাবি করে। এছাড়া সহকারি শিক্ষিকার স্বামী মাসুদ করিম ও তার ছেলে স্কুলে এসে হেনেস্থা করে। এই নিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল আজম জানান, উভয়ের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। যেই অভিযুক্ত হবেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর