1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

নেত্রকোণা ফসল রক্ষার বাঁধ সম্পন্নের পথে পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টি না হলে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৪ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণা ফসল রক্ষার বাঁধ সম্পন্নের পথে পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টি না হলে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের
নেত্রকোণা ফসল রক্ষার বাঁধ সম্পন্নের পথে পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টি না হলে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

স্টাফ রিপোর্টারঃ পাহাড় নদী হাওর বেষ্টিত নেত্রকোণা জেলা। এ জেলা কৃষি নির্ভরশীল জেলা। জেলাটি নিন্মাঞ্চল থাকার কারনে ফসল রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রতি বছর অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে। ফলে রক্ষা হয় এই অঞ্চলের ফসল। বিস্তীর্ণ হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় প্রকল্পগুলোর ২০২৬ এর কাজ প্রায় সম্পন্নর পথে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ পাহাড়ি ঢল বা আকষ্মিক বন্যা না হলে এ বছর সার্বিক আবহাওয়ায় অন্যান্য বছরের চেয়ে ফসল উপাদন হবে বেশি। এই প্রত্যাশা করছে এই অঞ্চলের কৃষক। চলতি বছর পানি স্থায়ী হওয়ার কারনে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া একটু বিলম্বিত হলেও বর্তমানে দূততম সময়ের মধ্যেই বাঁধ নির্মাণের তদারকি করছেন উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস ধান উৎপাদন, মাছ শিকার। তবে প্রধান উৎসই হচ্ছে ধান। এ থেকে আয়ের টাকায় পরিবারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ব্যয়বারসহ সকল খরচ নির্বাহ করা হয়। প্রায়ই আগাম বন্যায় এসব অঞ্চলে ফসলহানি ঘটতো। এ কারণে সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মাধ্যমে প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার করে থাকে। কিন্তু র্জানৈতিক ও সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু ও শেষ হয় না। স্থানীয় নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দাবি চলতি মওসুমে হাওরের পানি নামতে বিলম্ব ও উপজেলা স্কীম কমিটি পিআইসি কমিটি গঠনে দেরী করায় কাজ শুরু ও শেষ হতে কিছুটা দেরী হচ্ছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধের সংস্কার কাজ শেষ করা হবে। পরিবেশবিদগণ মনে করেন হাওরে প্রয়োজন ছাড়াও ফসল রক্ষার নামে যত্রতত্র বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এতে হাওরের নাব্যতা যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি ধ্বংস হচ্ছে মৎস্য ভান্ডার। তাদের দাবি প্রয়োজনীয় বাঁধ ছাড়া অন্যগুলো যেন বাতিল করে হাওরের নাব্যতা ঠিক রাখা হয়। নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোণার ৫টি উপজেলায় ফসল রক্ষার বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব এলাকায় ৩৬৫কিঃ মিঃ অস্থায়ী ডুবন্ত বাঁধ রয়েছে। হাওরে এক সময় ঠিকাদারদের মাধ্যমে ফসল রক্ষার বাঁধ নির্মাণ করা হতো। ২০১৭ সালে হাওরে ব্যাপক ফসলহানির পর বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ড ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য প্রকৃত কৃষক স্থানীয় সুবিধাভোগীদের নিয়ে ৫- ৭ সদস্যের কমিটি (পিআইসি) গঠন করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী একটি পিআইসি সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার কাজ করতে পারে। এবার জেলায় ১ লাখ ৯৮হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হচ্ছে। আর বাঁধগুলোর আওতায় প্রায় ১লাখ ৩৪ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে। হাওরে ১৩৬ দশমিক ৭৯৮ কিঃ মিঃ বাঁধ মেরামতের জন্য পাউবো ২০২টি পিআইসির মাধ্যমে প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৩১ কোটি টাকা ধরা হয়। এরমধ্যে খালিয়াজুরীতে ১৪৩ টি পিআইসির ৯১ দশমিক ৩৪৪ কিঃ মিঃ বাঁধে ৬ লাখ ২১ হাজার ২৬০ ঘনমিটার মাটি লাগবে। যার ব্যয় ২০ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা প্রায়। মোহনগঞ্জে ২৯টি পিআইসির ১৬ দশমিক ৫০৪ কিঃ মিঃ বাঁধে ১ লাখ ২০ হাজার ৩৩০ ঘনমিটার মাটি লাগবে। যার ব্যয় ৪ কোটি ৫৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা। মদনে ১৯টি পিআইসির ১২ দশমিক ২৮৪ কিঃ মিঃ বাঁধে ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৫ ঘনমিটার মাটি লাগবে। যার ব্যয় ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। কলমাকান্দায় ১০টি পিআইসির ৭ দশমিক ৪০২ কিঃ মিঃ বাঁধে ৩৬ হাজার ৬৪৬ ঘনমিটার মাটি লাগবে। যার ব্যয় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বারহাট্টাায় ১ টি পিআইসির ০ দশমিক ৩০০ কিঃ মিঃ বাঁধে ৬০১ ঘনমিটার মাটি লাগবে। যার ব্যয় ২৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে শেষ করার জন্য পিআইসি কমিটিকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। সিম্নাঞ্চলের পানি বিলম্বে নামার কারনে নির্ধারিত সময়ের ১০ দিন পর শুরু হয় বলে পাউবো নিশ্চিত করে। নেত্রকোণার মদন, খালিয়াজুরী ও মোহনগঞ্জ এবং হাইজদা বাঁধসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত বাঁধের কাজ ৯৫% শেষ হয়েছে। খালিয়াজুরী উপজেলার জগন্নাতপুর গ্রামের কৃষক কাদির মিয়া, মিজান, চাকুয়া শিবির এলাকার আবুল মিয়া, লিপসিয়ার মতিন মিয়া, রসুলপুর গ্রামের সোলায়মান, মদন উপজেলার কাতলা গ্রামের শাসছুল হুদা, ঘাঠুয়া এলাকার রসিদ মিয়া, গোবিন্দশ্রী গ্রামের শাহজাহান, মোহনগঞ্জ উপজেলার বেতাম গ্রামের মামুন মিয়াসহ অনেকেই জানান, হাওরে এক ফসলী জমি। এ ফসলের আয় দিয়ে সারা বছরের পরিবারের জীবিকাসহ ব্যয়ভার নির্বাহ করা হয়। কিন্তু দেশে কোনো রাজনৈতিক দল না থাকায় বাঁধের কাজ দ্রুত সম্পন্ন ও মানসম্মত হয়েছে। নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ড্রেসিং এর কাজ ৯৫% সম্পন্ন হয়েছে। ডুবন্ত বাঁধে ঘাস লাগানোর কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।অল্প বৃষ্টি হলে ঘাস লাগানো সজিব হবে। এতে বাঁধে মাটি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর