1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

কেন্দুয়ায় গোয়ালঘর অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গবাদিপশুর মৃতু, আশঙ্কাজনক আরও ৩ গরু

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৮০ দেখা হয়েছে
কেন্দুয়ায় গোয়ালঘর অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গবাদিপশুর মৃত্য, আশঙ্কাজনক আরও ৩ গরু
কেন্দুয়ায় গোয়ালঘর অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গবাদিপশুর মৃত্য, আশঙ্কাজনক আরও ৩ গরু

কেন্দুয়া প্রতিনিধি: নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে গোয়ালঘরে থাকা দু্ইটি দুগ্ধজাত গাভী ও তিনটি ছাগল জ্যান্ত পুড়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় আরও দু্ইটি বাছুরসহ তিনটি গরু মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, দগ্ধ পশুগুলোর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারুন্দিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে কৃষক পরিবারের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গারুন্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় ইটভাটা শ্রমিক সোহেল মিয়া (৩৭) প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও গবাদিপশুর যত্নে গোয়ালঘরে যান। রাত ১২টার দিকে মশা তাড়ানোর জন্য গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে তিনি নিজের ঘরে ঘুমাতে যান। মধ্যরাত আনুমানিক ২টার দিকে সোহেল মিয়ার মা মনোয়ারা বেগম (৬০) প্রথম গোয়ালঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। তার চিৎকার ও আকুল আর্তনাদে পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে আগুন নেভানোর আগেই গোয়ালঘরে থাকা দুইটি গাভী ও তিনটি ছাগল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গোয়ালঘর থেকে গবাদিপশুগুলোকে উদ্ধার করতে গিয়ে সোহেলের ছোট ভাই জুয়েল (৩৫) আহত হন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদিকে আগুনে পুড়ে যাওয়া পশুগুলো ছাড়াও আরও তিনটি গরু গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছে। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক হাফিজ উদ্দিন দগ্ধ পশুগুলোর জানান, “দগ্ধ গরুগুলোর শরীরের সিংহভাগ পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। বর্তমান পরিস্থিতিতে এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হবে বলে মনে হচ্ছে।” অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ না পাওয়া গেলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মশা তাড়ানোর জন্য জ্বালানো কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় সহায়—সম্বল হারিয়ে ইটভাটা শ্রমিক সোহেল মিয়ার পরিবার এখন দিশেহারা।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর