1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

কেন্দুয়ায় মানব পাচারকারী গ্রেফতার

  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯০ দেখা হয়েছে
কেন্দুয়ায় মানব পাচারকারী গ্রেফতার
কেন্দুয়ায় মানব পাচারকারী গ্রেফতার

কেন্দুয়া প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে গিয়ে জিম্মি করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে মানবপাচারের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানায়, মামলার প্রধান আসামি খন্দকার শাহ আলম (৪৫)—কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার পল্টন থানার পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করে কেন্দুয়া থানায় আনা হয় এবং শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল দায়ের করা মামলায় কমলপুর গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল্লাহ (৪৭) বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করেন। অপর আসামিরা হলেন খন্দকার মঈনুল আলম (৪০) ও তাদের আত্মীয় পরিচয়ে মো. আরিফুল ইসলাম (৩৬)। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা করে আসছিল। স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে পরিচয়ের পর বাদীর ছেলে আব্দুল আউয়াল (২২)—কে আজারবাইজানে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। এ জন্য প্রথমে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হলে বাদী সরল বিশ্বাসে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরে বিমান টিকিটের কথা বলে আরও ৬৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এরপর ভুক্তভোগীকে ঢাকার হজ ক্যাম্প হয়ে বিদেশে পাঠানো হলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী আজারবাইজানে না পাঠিয়ে তাকে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর আসামিরা তাকে একটি গেস্ট হাউজে নিয়ে গিয়ে ১ হাজার মার্কিন ডলার ছিনিয়ে নেয় এবং একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে আরও টাকা দাবি করা হয়। নিরুপায় হয়ে পরিবার অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা পাঠালেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির সহায়তা নেয়। পরে জাল ভিসা ও টিকিটের বিষয়টি ধরা পড়লে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। গত ২৯ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরে আসেন। এ ঘটনায় মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬—এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সচেতন মহল বলছে, গ্রামাঞ্চলে বিদেশে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার ঘটনা বেড়ে চলেছে। এ ধরনের অপরাধ কঠোরভাবে দমন না করলে আরও সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর