1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

গণশুনানীতে অংশ নিয়ে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তি পেল আবু সাঈদের পরিবার

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৮ দেখা হয়েছে
গণশুনানীতে অংশ নিয়ে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তি পেল আবু সাঈদের পরিবার
গণশুনানীতে অংশ নিয়ে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তি পেল আবু সাঈদের পরিবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ দীর্ঘদিন ঘরে বাড়ির সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে আবু সাঈদের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল স্থানীয় মঞ্জুরুল হক গং। আবু সাঈদ নেত্রকোণার সদর উপজেলার কমলপুর গ্রামের মৃত গোলাপ খাঁর পুত্র। প্রতিপক্ষ মঞ্জুরুল হক আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতার কারণে অবৈধ দাপট খাটিয়ে আবু সাঈদের .২৪ শতাংশ জায়গা বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলে নিয়ে আবু সাঈদের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। গতকাল বুধবার আবু সাঈদের স্ত্রী পারভীন আক্তার জেলা প্রশাসকের কার্যাালয়ে গণশুশানীতে অংশ নিয়ে তার পরিবারের অবরুদ্ধের বিষয়টি অবগত করলে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস তাৎক্ষণিক পুলিশ সুপারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের নির্দেশ পেয়ে মির্জা সায়েম মাহমুদ (পিপিএম) নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাহনেওয়াজ দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বেড়া অপসারণ করে আবু সাঈদের পরিবারকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করেন। এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ (পিপিএম) স্যারের নির্দেশ পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়ে উপজেলার কমলপুর গ্রামের আবু সাঈদের পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত করা হয়। আবু সাঈদ বলেন, আমার দাদা গোলাপ খাঁ’র মৃত্যুকালে আমার বাবা সুজিত খাঁ, চাচা অজিত খাঁ, দাদী কেন্তির মা, ফুফু আসিফের মা এবং মিছিলের মাকে রেখে যান। গোলাপ খাঁ’র মৃত্যুর পর কমলপুর যোগাটি মৌজায় ৬৯নং এস.এ খতিয়ানের ২৩০ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে দক্ষিণাংশে .০৬ শতাংশ ও ২৩১ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে দক্ষিণাংশে .১৮ এবং ২২৮ দাগে ৩২ শতাংশের মধ্যে .০৬ শতাংশ মোট ৩০ শতাংশ ভূমি আমার দাদী কেন্তির মা আমার বাবা সুজিত খাঁর নামে ১৪/০৭/১৯৯২ সালে ৪৬২৬ নং হেবা বিল এওয়াজ দলিল করে দেন। আমরা উক্ত ভূমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছি। ৬৯ নং এস.এ খতিয়ানের ২৩০ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে .০৭ শতাংশ ও ২৩১ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে .১৮ এবং ২২৮ দাগে ৩২ শতাংশের মধ্যে .১৬ শতাংশ মোট ৪১ শতাংশ ভূমি আমার চাচা অজিত খাঁ এবং ফুফু মিছিলের মা’র নিকট হইতে মৃত লাল হোসেনের পুত্র মঞ্জুরুল হক ৩০/০৭/১৯৯২ সালে ৫২৪০ নং সাফ কাওলা দলিল করে নেন। উক্ত ভূমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করিয়া তাহারাও বসবাস করিয়া আসিতেছি। মঞ্জুরুল হক আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতায় বিগত ২৪/০৯/২০২২ ইং তারিখে ৬৯ নং এস.এ খতিয়ানের ২৩০ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে দক্ষিণাংশে .০৬ শতাংশ ও ২৩১ নং দাগে ৭১ শতাংশের মধ্যে দক্ষিণাংশে .১৮ মোট ২৪ শতাংশ ভূমি হইতে আমাকে উচ্ছেদের হুমকি প্রদান করলে বিগত ৩০/১০/২০২২ ইং তারিখে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৬৬৩/২০২২ নং অন্য প্রকার স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মোকদ্দমা আনয়ন করি। বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ৬৬৩/২০২২ নং (অন্য প্রকার) মোকদ্দমায় উক্ত ভূমিতে ১৬/১১/২০২২ ইং তারিখে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত কর্তৃক ৬৬৩/২০২২ নং (অন্য প্রকার) মোকদ্দমায় বিগত ১৬/১১/২০২২ ইং তারিখে প্রচারিত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশের বিরুদ্ধে আমার প্রতিপক্ষ মঞ্জুরুল হক যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত, নেত্রকোণায় ৭৯/২০২২ নং মিস আপীল দায়ের করেন। বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত, নেত্রকোণা বিগত ২৭/০৫/২০২৫ ইং তারিখে মঞ্জুরুল হক কর্তৃক দায়েরকৃত ৭৯/২০২২ নং মিস আপীল মোকদ্দমাটি নামঞ্জুর করেন। বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত সার্বিক পর্যালোচনায় উল্লেখ করেন, বিজ্ঞ বিচারিক আদালত যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেছেন তা সঠিক ও যুক্তিযুক্ত। এমতাবস্থায় অত্র বিচার বিষয় সমূহ আপীল্যান্ডের প্রতিকূলে নিষ্পত্তি পূর্বক আপীল মোকদ্দমাটি নামঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত হলো। বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত, নেত্রকোণা মহোদয়ের বিগত ২৭/০৫/২০২৫ ইং তারিখের আদেশের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করে মঞ্জুরুল হক বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উক্ত ভূমিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ৫২২/২০২৫ নং মোকদ্দমা দায়ের করেন এবং মঞ্জুরুল হক গং ৬৯ এস.এ খতিয়ানের ২৩০ নং দাগে ৭১ শতাংশের কাতে দক্ষিণাংশে .০৬ শতাংশ ও ২৩১ নং দাগে ৭১ শতাংশের কাতে দক্ষিণাংশে .১৮ মোট ২৪ শতাংশ ভূমি জোর করে বেড়া দিয়ে দখল করে আমাকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তারা আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুরও লুটপাট করেছে। গত ২০ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অংশ নিয়ে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ^াসকে অবহিত করা হলে তাৎক্ষণিক নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে আমার পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত করেছে। জেলা প্রশাসক বনানী বিশ^াস বলেন, বিষয়টি অত্যান্ত মানবিক হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে অবরুদ্ধ পরিবারটিকে মুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, জেলা প্রশাসক বনানী বিশ^াসের উদ্যোগে সাপ্তাহিক গণশুনানীতে প্রায়শই সামাজিক নানা রকম কোন্দল, পারিবারিক ঝগড়া সহ অনিষ্পত্তিকৃত বিষয়গুলো সমাধানের পথ খোঁজে পায় বলে জানায় ভোক্তভুগীগণ।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর