1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

গণহত্যার স্বাক্ষী “চিরঞ্জীব” এর সাদা স্লেটটি নেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিলেন ইউএনও

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৫ দেখা হয়েছে
গণহত্যার স্বাক্ষী "চিরঞ্জীব" এর সাদা স্লেটটি নেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিলেন ইউএনও
গণহত্যার স্বাক্ষী "চিরঞ্জীব" এর সাদা স্লেটটি নেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিলেন ইউএনও

কোহিনূর আলমঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়া সদরের ভূমি অফিস সংলগ্ন রাজি নদীর তীরে মহান মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি ও গণহত্যার স্বাক্ষী স্মৃতিফলক “চিরঞ্জীব” এর সাদা স্লেটটি এখন আর নেই। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিলেন ইউএনও। গত ২৫ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গিয়ে প্রথম চোখে পড়ে গণমাধ্যম কর্মীদের। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়েও কখন, কিভাবে স্লেটটি নেই হয়ে গেলো — মেলে নি সেই খোঁজ। যেখানে লেখা ছিলো শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও প্রয়োজনীয় নানা তথ্য। নতুন প্রজন্মের কাছে ১৯৭১ সালের নৃশংস গণহত্যার ইতিহাস পৌঁছে দেয়ার জন্যে জরুরি ভিত্তিতে এটি পুনঃস্থাপন করা আবশ্যিক হয়ে ওঠেছে। কেননা এই বধ্য ভূমিতে তৎকালীন পাক হানাদার বাহিনী, আলবদর, রাজাকার কর্তৃক অগনিত স্বাধীনতাকামীদের ধরে এনে নির্বিচারে হত্যা করে ফেলে রাখা হতো। এছাড়াও ধোপাগাতি গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান মাষ্টারের বাড়ির সামনে একটি ও মাসকা ইউনিয়নের ঘোড়াইল গ্রামে একটি বধ্যভূমি রয়েছে। যা নির্মম ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে অক্ষত দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাছাড়া একটি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপনের দাবিও দীর্ঘদিনের। এমন কথাই উত্তাপন করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক মোঃ নূরুল হক ভূঞাসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রিফাতুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন ও জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো সংস্কারের এ মূহুর্তে কোন প্রকল্প নেই। তবে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। উল্লেখ্য মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পর চিহ্নিত ৩টি বধ্যভূমিতে নির্মিত হয় স্মৃতি ফলক ‘চিরঞ্জীব”। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও পরিকল্পনায় এবং উপজেলা প্রশাসন, কেন্দুয়া ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ঢাকা কর্তৃক বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো এই স্মৃতি ফলকগুলো।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর