1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন

ধলেশ্বর বিলপাড়ে আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্র শাহ সূফী গোলাম হাছেন পাগল (রহ.)—এর মাজার

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০১ দেখা হয়েছে
ধলেশ্বর বিলপাড়ে আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্র শাহ সূফী গোলাম হাছেন পাগল (রহ.)—এর মাজার
ধলেশ্বর বিলপাড়ে আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্র শাহ সূফী গোলাম হাছেন পাগল (রহ.)—এর মাজার

কোহিনূর আলমঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামে ধলেশ্বর বিলের পাড়ে গড়ে উঠেছে এক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। হযরত শাহ সূফী গোলাম হাছেন পাগল (রহ.)—এর মাজারকে ঘিরেই আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের্ ঘেরা এই স্থানটি এখন ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে শান্তি ও আত্মিক প্রশান্তির এক নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। বর্তমানে মাজারটি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও যে কোন সময়ের চেয়ে সহজ হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হযরত শাহ সূফী গোলাম হাছেন পাগল (রহ.) ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৫ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি আজীবন চিরকুমার থেকে আধ্যাত্মিক সাধনায় জীবন কাটান। তাঁর ওস্তাদ ছিলেন কালু শাহ। তাঁর পৈতৃক নিবাস খাগুরিয়া, মদন উপজেলা এলাকায় বলে জানা গেছে। প্রতি বছর বাংলা ২৮ মাঘ এখানে অনুষ্ঠিত হয় ওরশ শরীফ। এ উপলক্ষে মাজার প্রাঙ্গণে মিলাদ মাহফিল, জিকির—আযকার, দোয়া ও আধ্যাত্মিক সংগীতের আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। হযরত গোলাম হাছেন পাগল (রহ.)—এর জীবন ও কর্মকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে সাংস্কৃতিক চর্চাও গড়ে উঠেছে। গীতিকবি ও কেন্দুয়া প্রেসক্লাব—এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই সেলিম তাঁর ওপর একাধিক গান রচনা করেছেন। যা ভক্তদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, এই মাজার শুধু ধর্মীয় স্থান নয়; এটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। যথাযথ পরিচর্যা ও উন্নয়ন করা হলে এটি ভবিষ্যতে সকল ধর্মের মানুষের জন্যে একটি সম্ভাবনাময় ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর