1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

নেত্রকোণার পাটচাষীদের ব্যস্ত সময় পারঃ ৪৪১০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে পাট। জেলার পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার অফিসে না আসার রয়েছে অভিযোগ

  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩৬ দেখা হয়েছে
নেত্রকোণার পাটচাষিদের ব্যস্ত সময় পার: ৪৪১০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে পাট
স্টাফ রিপোর্টারঃ নেত্রকোণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পাট চাষীরা। এ বছর জেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫৯০ হেক্টর। এর মধ্যে ৪৪১০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে পাট। যার মধ্যে ৭৬৯ হেক্টর জমিতে দেশী জাতের পাট(সদরে ২৫৫ হেক্টর, পূর্বধলায় ১২ হেক্টর, দুর্গাপুরে ১০ হেক্টর, কলমাকান্দায় ২ হেক্টর, মোহনগঞ্জে ১২৫ হেক্টর, বারহাট্টায় ৫০ হেক্টর, কেন্দুয়ায় ২৬০ হেক্টর, আটপাড়ায় ৫০ হেক্টর, মদনে ৫ হেক্টর, খালিয়াজুড়িতে কোন আবাদ নেই) ২৯৬ হেক্টর জমিতে তোষা জাতের পাট (সদরে ২০ হেক্টর, পূর্বধলায় ১৫ হেক্টর, দুর্গাপুরে কোন আবদ নেই, কলমাকান্দায় ৩ হেক্টর, মোহনগঞ্জে ১০০ হেক্টর, বারহাট্টায় ৩৫ হেক্টর, কেন্দুয়ায় ৮০ হেক্টর, আটপাড়ায় ৪০ হেক্টর, মদনে ৩ হেক্টর, খালিয়াজুড়িতে আবাদ নেই) ২৯১৫ হেক্টর জমিতে কেনাফ জাতের পাট ( সদরে ২১০ হেক্টর , পূর্বধলায় ২ হেক্টর, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় আবাদ নেই, মোহনগঞ্জে ১২৭৫ হেক্টর, বারহাট্টায় ৯৫ হেক্টর, কেন্দুয়ায় ১২০ হেক্টর, আটপাড়ায় ৩১০ হেক্টর , মদনে ৯০০ হেক্টর, খালিয়াজুড়িতে ৩ হেক্টর) ৪৩০ হেক্টর জমিতে মেস্তা জাতের পাট (সদর, পূর্বধলা, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা,মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুড়িতে কোন আবাদ নেই, বারহাট্টায় ২৯০ হেক্টর, কেন্দুয়ায় ৯০ হেক্টর, আটপাড়ায় ৫০ হেক্টর) আবাদ হয়েছে। গত বছর জেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫৬৯ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের যার মধ্যে ৬৯০ হেক্টর জমিতে দেশী জাতের পাট, ২২৫ হেক্টর জমিতে তোষা জাতের পাট, ৩১৫৪ হেক্টর জমিতে কেনাফ জাতের পাট, ৫০০ হেক্টর জমিতে মেস্তা জাতের পাট । 
পাট অধিদপ্তর নেত্রকোণা জেলার মুখ্য পরিদর্শক সমীর চন্দ্র সওদাগর ও পাট উন্নয়ন সহকারী (পরিদর্শক)  মো: ইলিয়াস উদ্দিন  জানান , প্রতিবছর ২৫ টি মোবাইল কোর্ট করার টার্গেট থাকে তাদের, গতবছর ১৪ টা মোবাইল কোর্ট করা হয়েছিল। এবছর একটিও মোবাইল কোর্ট করা হয়নি। গত বছর ৭৮ টি লাইসেন্স করা হয়েছিল, টার্গেট ছিল ১০০ টি। এবছর এখনও পর্যন্ত ৪৫ টি লাইসেন্স নতুন করে করা হয়েছে। অন্যদিকে নেত্রকোণা জেলার পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বছরের বেশীরভাগ সময় তার অফিস তালাবদ্ধ থাকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আউটসোর্সিংয়ে দায়িত্ব রতরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে না। তবে আমি অফিসে আসি নিয়মিত। কিন্তু গত চারদিন যাবত আপনি অফিসে আসছেন না, যার তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। নেত্রকোণা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে পাটের চাহিদা বৃদ্ধি করা গেলে কৃষকরা যথাযথ মূল্য পাবে। আর যথাযথ মূল্য পেলে পাট আবাদ বাড়বে। এতে করে পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব। 

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর