1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

নেশার টাকা জোগাতে শ্বশুরের বাসায় চুরি করতে গিয়ে বাবাসহ আটক জামাই

  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৯ দেখা হয়েছে
নেশার টাকা জোগাতে শ্বশুরের বাসায় চুরি করতে গিয়ে বাবাসহ আটক জামাই
নেশার টাকা জোগাতে শ্বশুরের বাসায় চুরি করতে গিয়ে বাবাসহ আটক জামাই

মদন প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগ উঠছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোণার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুজন হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা সদরের মধ্যবাজার এলাকার বাসিন্দা বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়েকে বিয়ে করে বরুনের চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তরুণ। বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে শ্বশুরা বাড়ির এলাকা মদনে চলে আসে। কিছুদিন পরেই শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অনু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তরুণের বাবা মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্সে কাজ করেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য তরুণ ও তার বাবা বরুণ মিলে শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। রোববার রাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের ঘরে স্বর্ণালংকার আনতে গেলে ধরা পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। তারা স্বর্ণালংকার নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বাবা-ছেলেকে স্থানীয় মানুষেরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা নেশার টাকা জোগাতে চুরি করার কথা স্বীকার করেন। বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, টাকার চাপ ছিল। তাই স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছি। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি। তরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, আমি আগে নেশা করতাম, কিন্তু এখন আর নেশা করি না। আমার বাবা শ্বশুরের ঘর থেকে স্বর্ণালংকার চুরি করছে আরও এক সপ্তাহ আগে। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি। অমূল্য চন্দ্র দাস জানান, ‘আমার মেয়ের জামাই ও তার বাবা দুজনই নেশাগ্রস্ত। আমি আগে ভালো করে খোঁজখবর না নিয়ে মেয়ের বিয়া দিয়া ভুল করছি। চুরি করার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।’ মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসনাত জামান জানান, চুরির ঘটনায় বাবা ও ছেলেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর