1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

মদনে জাহাঙ্গীরপুর তহুর আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯২ দেখা হয়েছে
মদনে জাহাঙ্গীরপুর তহুর আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে
মদনে জাহাঙ্গীরপুর তহুর আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আজহারুল ইসলাম বিপ্লব ঃ নেত্রকোণার মদনে জাহাঙ্গীরপুর তহুর আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. আরাধন মিয়া নামে এক অভিভাবক বাদী হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ (শিক্ষা ও আইসিটি) একাধিক দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাদীর মেয়ে ইফফাত আরা জয়া ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করে। লটারির ফলাফলে তার নাম ওয়েটিং লিস্ট—১ এ ৪৩ নম্বর সিরিয়ালে আসে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মেয়েকে ভর্তি করাতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রউফ এবং ভর্তি কমিটির শিক্ষকরা জানান, ওয়েটিং লিস্ট—১ এর ৪৩ নম্বর সিরিয়াল থেকে ভর্তি করানো সম্ভব নয়। অভিভাবক অভিযোগ করেন, একাধিকবার অনুরোধ করেও তার মেয়েকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। পরে তিনি জানতে পারেন, ওয়েটিং লিস্ট—১ এর ৪৩ নম্বর সিরিয়াল অতিক্রম করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক ও ভর্তি কমিটি ওয়েটিং লিস্ট—১ এবং ওয়েটিং লিস্ট—২ থেকে একাধিক শিক্ষার্থীকে ভর্তি করিয়েছেন। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ওয়েটিং লিস্ট—১ থেকে ৪৫, ৪৭, ৪৮, ৫২, ৬৪, ৬৬, ৭০, ৭২, ৭৬, ৮৬, ৯৯ ও ১০৬ নম্বর সিরিয়ালের শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হয়েছে। এছাড়া ওয়েটিং লিস্ট—২ থেকে ৬, ৭, ১০, ১৪, ১৮, ২১, ২৭ ও ৩০ নম্বর সিরিয়ালের শিক্ষার্থীদেরও ভর্তি দেওয়া হয়। এছাড়া সহোদর (ঝরনষরহম) কোটায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বলা হয়, লিস্ট—১ এর ২০ নম্বর সিরিয়াল থেকে মোসা. সামাইরা নামে এক শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে, যদিও তার কোনো ভাই বা বোন ওই বিদ্যালয়ে কখনো শিক্ষার্থী ছিল না। এমনকি তার আবেদনপত্রেও সহোদর কোটার উল্লেখ ছিল না। অভিযোগে দাবি করা হয়, সহোদর কোটায় প্রাপ্যতার তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রেও আর্থিক লেনদেনের আশঙ্কা রয়েছে। অভিভাবক মো. আরাধন মিয়া তার অভিযোগে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রউফ বলেন, অভিযোগটি সঠিক নয়। বিষয়টি না বুঝেই তিনি এমন অভিযোগ করেছেন। প্রথম ওয়েটিং লিস্টে ভর্তির সময় ছিল মাত্র দুই দিন। ওই সময়ে যারা ভর্তি হতে পারেননি তারা বাদ পড়েছেন। তারপর দ্বিতীয় ওয়েটিং লিস্ট থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়েছে। ভর্তিতে কোন অনিয়ম হয়নি। বিষয়টি অবহিত করলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর