1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

অবশেষে পূর্বধলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ চিকিৎসকের যোগদান, জনবল সংকট এখনো প্রকট

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৮ দেখা হয়েছে
অবশেষে পূর্বধলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ চিকিৎসকের যোগদান, জনবল সংকট এখনো প্রকট
অবশেষে পূর্বধলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ চিকিৎসকের যোগদান, জনবল সংকট এখনো প্রকট

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিনের চিকিৎসক সংকটে ভোগা নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন করে ৮ জন চিকিৎসক যোগ দিয়েছেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মস্থলে যোগদান করেন। এতে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের প্রত্যাশা তৈরি হলেও হাসপাতালের সামগ্রিক জনবল সংকট এখনো কাটেনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নতুন যোগদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে রয়েছেন মেডিকেল অফিসার ডা. মারিশা তাজনিন, ডেন্টাল সার্জন ডা. শেখ ইশা এবং সহকারী সার্জন হিসেবে ডা. মো. হাদিউল ইসলাম, ডা. তানজিনা আক্তার এনি, ডা. নাহিদ আজাদ জয়, ডা. মো. দৌলত আহমেদ, ডা. দীপক্ষর দাস ও ডা. শারাফ তাবাসসুম উর্মী। নতুন চিকিৎসক যুক্ত হলেও হাসপাতালের জনবল পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। এখানে মোট ৪১ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও কাগজে-কলমে কর্মরত রয়েছেন ২০ জন। তবে, এর মধ্যে একজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় বাস্তবে ১৯ জন চিকিৎসক দিয়ে পুরো উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শুধু চিকিৎসকই নয়, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছে তীব্র সংকট। হাসপাতালের ৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর স্থলে বর্তমানে রয়েছেন মাত্র ২ জন। ৪ জন অফিস সহায়কের বিপরীতে আছেন মাত্র ১ জন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ২ জন নিরাপত্তাকর্মীর পদ থাকলেও বর্তমানে কোনো নিরাপত্তাকর্মী কর্মরত নেই। এতে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এদিকে উপজেলার চারটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র-জারিয়া, আলমপুর, আগিয়া ও শ্যামগঞ্জ-কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে আলমপুর ও আগিয়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোনো কেন্দ্রেই চিকিৎসক না থাকায় তৃণমূল পর্যায়ের রোগীরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর রোগীর চাপ আরও বেড়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, “নতুন করে ৮ জন দক্ষ চিকিৎসক যোগ দেওয়ায় আমরা আশা করছি সেবার মান আগের তুলনায় উন্নত হবে। তবে আমাদের জনবল চাহিদা ৪১ জন হলেও বর্তমানে নতুন ৮ জনসহ মোট ২০ জন চিকিৎসক দিয়ে এত বিপুলসংখ্যক রোগীর সেবা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।” তিনি আরও জানান, আজ আউটডোর বিভাগে প্রায় ৫০০ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে হাসপাতালে ৮০ থেকে ১১০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসক ছাড়াও পরিচ্ছন্নতা কর্মী, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং নিরাপত্তা কর্মীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল সংকট রয়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানান, যাতে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামাল দিয়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর