1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন

কলমাকান্দায় খাল খনন নিয়ে দুইগ্রুপের মাঝে দ্বন্ধ, এলাকায় চাঞ্চল্য

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩১ দেখা হয়েছে
কলমাকান্দায় খাল খনন নিয়ে দুইগ্রুপের মাঝে দ্বন্ধ, এলাকায় চাঞ্চল্য
কলমাকান্দায় খাল খনন নিয়ে দুইগ্রুপের মাঝে দ্বন্ধ, এলাকায় চাঞ্চল্য

কলমাকান্দা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কাকুরিয়া মাছিম গ্রামের মধুখালী খাল খনন নিয়ে গ্রামবাসীদের দু’পক্ষের মাঝে দ্বন্ধ দেখা দিয়েছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, কাকুরিয়া মাছিম এলাকার মোফাজ্জল হোসেন গত ১৫ মার্চ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি সামনে আসে। তিনি তার অভিযোগ মারফত জানান, আমাদের দেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে বহু খাল ও জলাধার বিদ্যমান রয়েছে, যেগুলো এলাকার পানি নিষ্কাশন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের কাকুরিয়া মাছিম এলাকায় অতীতে মধুখালী নামক একটি খাল বিদ্যমান ছিল। উক্ত খালটি দীর্ঘদিন পূর্বে ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে অনেক স্থানে জমির মালিকগণ চেক মূলে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন এবং পুকুর খনন করে ভোগ—দখল করে আসছে। সম্প্রতি সরকারি একটি প্রকল্পের উদ্যোগে খালটি খননের কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজটি পরিচালনা করছেন মোঃ ফজলুল হক জলিল। কিন্তু খাল খননের কার্যক্রম বর্তমান অবস্থায় পরিচালিত হলে এলাকার বহু বসতবাড়ি ও স্থাপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে বহু পরিবার মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বিদ্যমান রয়েছে। এক কথায়, এই খাল খননের ফলে গ্রাম বাসীর উপকারের চেয়ে অপকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অত্যাধিক। এবিষয়ে স্থানীয়ভাবে এলজিইডি প্রকৌশলী অফিস, নেত্রকোণা বরাবর অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। কাকুরিয়া উজিয়াখালী খাল পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ ফজলুল হক জলিল জানান, কৃষকদের ফসল রক্ষার্থে সরকারের নিয়ম মেনেই তিনি প্রকল্পের বরাদ্দ এনেছেন। একটা পক্ষ তার কাজে বাঁধা দিচ্ছে। যারা খালের উপর বাসাবাড়ি নির্মাণ করেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ আনোয়ার ইমাম জানান, এবিষয়ে আমার কাছে ঠিক এই মূহুর্তে আপডেট তথ্য নেই। আমাকে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে। তবে যেহেতু দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরী হয়েছে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন দেখবে।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর