1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

শিক্ষার্থীদের কষ্টে সাড়া, নিজের বেতনেই সমাধান

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ দেখা হয়েছে
শিক্ষার্থীদের কষ্টে সাড়া, নিজের বেতনেই সমাধান
শিক্ষার্থীদের কষ্টে সাড়া, নিজের বেতনেই সমাধান

কলমাকান্দা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যুৎ সমস্যার দুর্ভোগ লাঘবে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অভিভাবকদের দাবির মুখে মুক্তি প্রি—ক্যাডেট স্কুলে আইপিএস (ওচঝ) স্থাপনের জন্য নিজের এক মাসের বেতনের এক লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মুক্তি প্রি—ক্যাডেট স্কুল পরিদর্শনে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় স্কুলের সহকারি পরিচালক মো. এনামুল হক তালুকদার তাকে স্বাগত জানান। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্লে—গ্রুপ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত দুই শিফটে চার শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছিল এবং তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিল। ডেপুটি স্পিকারের উপস্থিতির খবর পেয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে জড়ো হন বেশ কয়েকজন অভিভাবক। রুমা আক্তার, মরিয়ম, পিংকি সাহা, রিমা আক্তার, লিপি সরকার ও ছায়া রানীসহ অভিভাবকরা শিশুদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে একটি আইপিএস স্থাপনের দাবি জানান। অভিভাবকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর ডেপুটি স্পিকার তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, “আমি আমার এক মাসের বেতন—এক লাখ টাকা দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা ভালো মানের একটি আইপিএস কিনে নেবেন।” তার এ ঘোষণায় উপস্থিত জনতার মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। করতালির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান অভিভাবক ও স্থানীয়রা। প্রতিষ্ঠানের সহকারী পরিচালক মো. এনামূল হক তালুকদার বলেন, “আজ আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। ডেপুটি স্পিকার মহোদয় আকস্মিকভাবে এসে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো শুনেছেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তার এ অনুদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, শিক্ষার প্রতি তার দায়বদ্ধতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।” অভিভাবকরাও এ উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, প্রচণ্ড গরমে শিশুদের ক্লাস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ডেপুটি স্পিকারের এমন মানবিক পদক্ষেপ তাদের স্বস্তি দিয়েছে। এ অনুদানের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর