1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

সোমেশ্বরী নদীতে দুই শাবকসহ হাতির পাল

  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৭১ দেখা হয়েছে
সোমেশ্বরী নদীতে দুই শাবকসহ হাতির পাল
সোমেশ্বরী নদীতে দুই শাবকসহ হাতির পাল

দুর্গাপুর প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় বন্য হাতির পাল হানা দিয়েছে। উপজেলার বিজয়পুর সংলগ্ন কমলাবাড়ি এলাকায় পাহাড় থেকে নেমে আসা হাতির পালটি কৃষকের আধাপাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। হাতির তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। পরে স্থানীয়দের ধাওয়ায় হাতির পালটি সোমেশ্বরী নদীতে আশ্রয় নেয় এবং পরবর্তীতে ভারতীয় সীমানায় ফিরে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও কমলাবাড়ি এলাকার যুবক নাঈম পাঠান জানান, গতকাল রাতে হাতির পালটি নেমে এসে বাংলাদেশের পাহাড়ে (বিজিবি ক্যাম্পের কাছাকাছি) অবস্থান নিয়েছিল। বুধবার দুপুরের দিকে হাতির পালটি পাহাড় থেকে নেমে সোমেশ্বরী নদীতে অবস্থান নেয়। তিনি আরও জানান, হাতির পালটির সঙ্গে নতুন জন্ম নেওয়া দুটি ছোট শাবকও রয়েছে। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে হাতিগুলো লোকালয় ছেড়ে আবার ভারতীয় পাহাড়ের দিকে চলে যায় এবং বর্তমানে সেগুলো ভারতেই অবস্থান করছে। হাতির তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। কমলাবাড়ি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ফারুক মিয়া জানান, হাতির পালটি তাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে। প্রতিদিন রাতেই হাতি লোকালয়ে নেমে আসে। ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে ফারুক মিয়া বলেন, তার ২০ কাঠা জমিতে বোরো ধানের আবাদ ছিল, যার মধ্যে চার—পাঁচ কাঠা জমির ধান হাতি একদম মিশিয়ে (নষ্ট করে) দিয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে জানান, হাতি ফসল যতটুকু খায়, তার চেয়ে পায়ে মাড়িয়ে নষ্ট করে বেশি। কৃষকরা দলবদ্ধ হয়ে রাত জেগে পাহারা দিলেও কোনো ফল মিলছে না তাড়িয়ে দিলে রাত ১০টার পর বা শেষ রাতে তারা আবারও ফিরে এসে ক্ষেতে তাণ্ডব চালায়। ফারুক মিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত জমিটি বিজয়পুরের কমলা বাগানের পেছনে অবস্থিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। সীমান্ত এলাকায় হাতির পালের উপদ্রব এবং কৃষকের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কথা হয় দুর্গাপুরের বন কর্মকর্তা মজনু প্রামানিকের সাথে। তিনি হাতির পালের উপস্থিতির বিষয়টি অবগত নন এবং খোঁজ নিবেন বলে জানান। তবে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফসলের ক্ষতি হলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বন বিভাগের কাছে আবেদন করলে কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। নেত্রকোনার গারো পাহাড় সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বন্য হাতির সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। প্রতি বছরই ধান পাকার মৌসুমে খাদ্যের সন্ধানে ভারতীয় পাহাড় থেকে হাতির পাল লোকালয়ে নেমে আসে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা। স্থায়ী কোনো সমাধান না থাকায় একপ্রকার আতঙ্ক নিয়েই দিন পার করছেন সীমান্তবর্তী এই গ্রামের মানুষগুলো।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর