1. admbm8z3m@example.com : admbm8z3m :
  2. admin@dainikdeshkanthaswar.com : admin :
  3. administrator_aa6faeec92@dainikdeshkanthaswar.com : administrator_aa6faeec92 :
  4. bot@local.invalid : Service Bot :
  5. dainikdeshkanthaswarnl@outlook.com : gujzamuw :
  6. lark37655@dainikdeshkanthaswar.com : lark37655 :
  7. dainikdeshkanthaswarqg@outlook.com : lesabken :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

বারহাট্টায় সারের কৃত্রিম সংকট: ডিলারদের জরিমানা কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন?

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৫ দেখা হয়েছে
বারহাট্টায় সারের কৃত্রিম সংকট: ডিলারদের জরিমানা কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন?
বারহাট্টায় সারের কৃত্রিম সংকট: ডিলারদের জরিমানা কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন?

নুরুল আমিনঃ নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে দুই সার ডিলারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে এই অভিযানের পর শুধু ডিলার নয়, উপজেলা কৃষি অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) উপজেলার আসমা ও বাউসী ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজেদুল ইসলাম। অভিযানে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাউসী বাজারের নিটোল এন্টারপ্রাইজ নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে আসমা ইউনিয়নের নূর মেহেদী এন্টারপ্রাইজ সারের ক্রয়—বিক্রয়ের মূল রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় কৃষি বিপণন আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্যা মেইল বিডি ডটকম—এ “সারের সংকট নিয়ে প্রশ্ন করতেই ‘বিরক্ত’ কৃষি কর্মকর্তা; বারহাট্টায় কৃষকের হাহাকার!” শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উপজেলা কৃষি অফিসের গাফিলতির চিত্র উঠে আসে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান আজাদ গুদামে সারের প্রকৃত মজুদ যাচাই না করেই অ্যারাইভাল কাগজে স্বাক্ষর করেছেন। কাগজপত্র অনুযায়ী যেখানে ৬০৩ বস্তা সার থাকার কথা, সেখানে ডিলারের দাবি ছিল ৩০০ বস্তা এবং গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের ভাষ্যমতে প্রকৃত মজুদ ছিল মাত্র ১৬০ বস্তা। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কি বসে রয়েছি? এরপরও এত নিউজ করতে হয়?” তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ডিলাররা রাতের আঁধারে গুদামে সার এনে কাগজপত্রের সঙ্গে মিল দেখানোর চেষ্টা করেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে কাগজ ও প্রকৃত মজুদের মধ্যে অসংগতি আবারও ধরা পড়ে। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম বলেন, “উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সার গুদাম পরিদর্শন করে রেজিস্ট্রার ও মূল্য তালিকা যাচাই করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি অফিসের তদারকির অভাব ও গাফিলতির সুযোগ নিয়েই ডিলাররা সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সচেতন মহলের দাবি, শুধু ডিলারদের জরিমানা করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না—যেসব কর্মকর্তার স্বাক্ষরে এসব অসংগতি বৈধতা পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর